ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণ-অভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে সরকার

আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পবিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সম্প্রতি এক আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সভার কার্যপত্রে জানানো হয়েছে। কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ চীনমৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা জেলা প্রশাসন জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

জেলা পর্যায়ে শহীদ পবিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর, ঢাকাসহ সব বিভাগীয় কমিশনার, সব ডিআইজি, সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এসব অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সব জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে হবে। ঢাকায় শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এজন্য জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে। এছাড়া সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বিনা টিকিটে জাদুঘরগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে বলে কার্যপত্রে জানানো হয়েছে।

গণঅভ্যুত্থান দিবসকে সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দেবেন। ৫ আগস্ট দেশের সব সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে। এছাড়া ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপে জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশান দিয়ে সজ্জিত করা হবে। 

এর বাইরে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ, রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন ছাড়াও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে বলে কার্যপত্রে জানানো হয়েছে। এসব অনুষ্ঠান আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখার অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি এবং অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহ্বায়ক করে আরেকটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

গণ-অভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে সরকার

আপডেট সময় ১২:১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পবিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সম্প্রতি এক আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সভার কার্যপত্রে জানানো হয়েছে। কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ চীনমৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা জেলা প্রশাসন জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

জেলা পর্যায়ে শহীদ পবিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর, ঢাকাসহ সব বিভাগীয় কমিশনার, সব ডিআইজি, সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এসব অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সব জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে হবে। ঢাকায় শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এজন্য জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে। এছাড়া সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সারাদেশে বিশেষ মোনাজাত, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বিনা টিকিটে জাদুঘরগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে বলে কার্যপত্রে জানানো হয়েছে।

গণঅভ্যুত্থান দিবসকে সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দেবেন। ৫ আগস্ট দেশের সব সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে। এছাড়া ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপে জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশান দিয়ে সজ্জিত করা হবে। 

এর বাইরে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ, রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন ছাড়াও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে বলে কার্যপত্রে জানানো হয়েছে। এসব অনুষ্ঠান আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখার অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি এবং অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহ্বায়ক করে আরেকটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।