ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে বিএনপি : জরিপ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে পরবর্তী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৯ শতাংশ ভোটার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে এগিয়ে রেখেছে বলে এক জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে।আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় আর্কাইভস মিলনায়তনে ইনোভিশন কনসাল্টিং পরিচালিত পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভের দ্বিতীয় দফার জরিপ ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। এ জরিপে সহযোগিতা করেছে ভয়েস ফর রিফর্ম এবং বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (বিআরএআইএন)।জরিপ অনুযায়ী, ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করেন। এরপর ২৮ দশমিক ১ শতাংশ সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং অন্যান্য দল ১০ দশমিক ২ শতাংশ সমর্থন লাভ করেছে।গত মার্চের তুলনায় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সমর্থন কিছুটা কমেছে, তবে আওয়ামী লীগের সমর্থন বেড়েছে।আঞ্চলিক চিত্রে বিএনপি এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম (৪৯.৯ শতাংশ), সিলেট (৪৪.৭ শতাংশ), ময়মনসিংহ (৪৫.৭ শতাংশ), রাজশাহী (৪৪.৪ শতাংশ), খুলনা (৪৩.৩ শতাংশ) ও ঢাকা (৪০.৮ শতাংশ)–এ।রংপুরে (৪৩.৪ শতাংশ) এগিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আর বরিশালে (৩১.৯ শতাংশ) এগিয়ে আওয়ামী লীগ।বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বেশি সমর্থন পাচ্ছে প্রবীণ ভোটারদের কাছ থেকে। জামায়াতের ভিত্তি তরুণ ভোটারদের মধ্যে তুলনামূলক শক্তিশালী।বিএনপি কম শিক্ষিত গোষ্ঠীর মধ্যে বেশি সমর্থন পাচ্ছে, আর জামায়াত উচ্চশিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে প্রভাবশালী।ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াত সরওয়ার বলেন, মার্চের তুলনায় আওয়ামী লীগের ভোট শেয়ার বেড়েছে ৪.৮ শতাংশ, তবে অধিকাংশ দলের ক্ষেত্রে সমর্থন কমেছে।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ এম শাহিন, ভয়েস ফর রিফর্মের ফাহিম মাশরুর, ব্রেইনের শফিকুর রহমান এবং ডেইলি স্টারের জায়মা ইসলাম।উল্লেখ্য, জরিপটি ২–১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের আট বিভাগ, ৬৪ জেলা ও ৫২১টি প্রাথমিক নমুনা ইউনিট থেকে করা হয়। এতে ১০ হাজার ৪১৩ জন ভোটার অংশ নেন, যার মধ্যে ৬৯.৫ শতাংশ গ্রামীণ ও ৩০.৫ শতাংশ শহর এলাকা থেকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে বিএনপি : জরিপ

আপডেট সময় ০৪:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে পরবর্তী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৯ শতাংশ ভোটার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে এগিয়ে রেখেছে বলে এক জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে।আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় আর্কাইভস মিলনায়তনে ইনোভিশন কনসাল্টিং পরিচালিত পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভের দ্বিতীয় দফার জরিপ ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। এ জরিপে সহযোগিতা করেছে ভয়েস ফর রিফর্ম এবং বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (বিআরএআইএন)।জরিপ অনুযায়ী, ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করেন। এরপর ২৮ দশমিক ১ শতাংশ সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং অন্যান্য দল ১০ দশমিক ২ শতাংশ সমর্থন লাভ করেছে।গত মার্চের তুলনায় বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সমর্থন কিছুটা কমেছে, তবে আওয়ামী লীগের সমর্থন বেড়েছে।আঞ্চলিক চিত্রে বিএনপি এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম (৪৯.৯ শতাংশ), সিলেট (৪৪.৭ শতাংশ), ময়মনসিংহ (৪৫.৭ শতাংশ), রাজশাহী (৪৪.৪ শতাংশ), খুলনা (৪৩.৩ শতাংশ) ও ঢাকা (৪০.৮ শতাংশ)–এ।রংপুরে (৪৩.৪ শতাংশ) এগিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আর বরিশালে (৩১.৯ শতাংশ) এগিয়ে আওয়ামী লীগ।বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বেশি সমর্থন পাচ্ছে প্রবীণ ভোটারদের কাছ থেকে। জামায়াতের ভিত্তি তরুণ ভোটারদের মধ্যে তুলনামূলক শক্তিশালী।বিএনপি কম শিক্ষিত গোষ্ঠীর মধ্যে বেশি সমর্থন পাচ্ছে, আর জামায়াত উচ্চশিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে প্রভাবশালী।ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াত সরওয়ার বলেন, মার্চের তুলনায় আওয়ামী লীগের ভোট শেয়ার বেড়েছে ৪.৮ শতাংশ, তবে অধিকাংশ দলের ক্ষেত্রে সমর্থন কমেছে।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ এম শাহিন, ভয়েস ফর রিফর্মের ফাহিম মাশরুর, ব্রেইনের শফিকুর রহমান এবং ডেইলি স্টারের জায়মা ইসলাম।উল্লেখ্য, জরিপটি ২–১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের আট বিভাগ, ৬৪ জেলা ও ৫২১টি প্রাথমিক নমুনা ইউনিট থেকে করা হয়। এতে ১০ হাজার ৪১৩ জন ভোটার অংশ নেন, যার মধ্যে ৬৯.৫ শতাংশ গ্রামীণ ও ৩০.৫ শতাংশ শহর এলাকা থেকে।