ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ: অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক আইন কার্যকর

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৫ বার পড়া হয়েছে

 

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশু-কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কঠোর আইন কার্যকর হয়েছে। নতুন আইনের প্রথম দিনটি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গর্বের দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, থ্রেডস, এক্স, স্ন্যাপচ্যাট, কিক, টুইচ, টিকটক, রেডিট থেকে শুরু করে ইউটিউব—সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মকে এই আইন মানতে হবে।

আইন ভাঙলে শিশু বা অভিভাবকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তবে প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়ম না মানলে সর্বোচ্চ ৪৯.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, জরিমানা গুনতে হতে পারে।

সরকার বলছে, এই নিষেধাজ্ঞা শিশুদের ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট, মানসিক ক্ষতি এবং সম্ভাব্য শোষণ থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি উল্টো ঝুঁকি বাড়াতে পারে—কারণ কিশোররা আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে এবং নিয়ন্ত্রণহীন, অন্ধকার অনলাইন পরিবেশের দিকে ঝুঁকতে পারে।

বিশ্বের বহু দেশ অস্ট্রেলিয়ার এই পদক্ষেপ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, যদিও সরকার কীভাবে এই নীতির সফলতা মূল্যায়ন করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার কিশোরদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র—কেউ এই সিদ্ধান্তকে “অপমানজনক” বলছে, আবার কেউ মনে করছে শুরুতে বিরক্তিকর হলেও মানিয়ে নিতে বেশি সময় লাগবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট

১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ: অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক আইন কার্যকর

আপডেট সময় ০৯:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের নিচের শিশু-কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কঠোর আইন কার্যকর হয়েছে। নতুন আইনের প্রথম দিনটি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গর্বের দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, থ্রেডস, এক্স, স্ন্যাপচ্যাট, কিক, টুইচ, টিকটক, রেডিট থেকে শুরু করে ইউটিউব—সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মকে এই আইন মানতে হবে।

আইন ভাঙলে শিশু বা অভিভাবকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তবে প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়ম না মানলে সর্বোচ্চ ৪৯.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, জরিমানা গুনতে হতে পারে।

সরকার বলছে, এই নিষেধাজ্ঞা শিশুদের ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট, মানসিক ক্ষতি এবং সম্ভাব্য শোষণ থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি উল্টো ঝুঁকি বাড়াতে পারে—কারণ কিশোররা আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে এবং নিয়ন্ত্রণহীন, অন্ধকার অনলাইন পরিবেশের দিকে ঝুঁকতে পারে।

বিশ্বের বহু দেশ অস্ট্রেলিয়ার এই পদক্ষেপ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, যদিও সরকার কীভাবে এই নীতির সফলতা মূল্যায়ন করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার কিশোরদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র—কেউ এই সিদ্ধান্তকে “অপমানজনক” বলছে, আবার কেউ মনে করছে শুরুতে বিরক্তিকর হলেও মানিয়ে নিতে বেশি সময় লাগবে না।