ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদি মানে আজাদী, হাদি মানে ইনসাফ- স্লোগানে উত্তাল শাহবাগ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৮ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ঘোষিত সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শহীদ হাদি চত্বর (শাহবাগ মোড়)। জনস্রোতে লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

 

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই শাহবাগে আন্দোলনকারীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্লোগান, গান ও কবিতায় মুখর হয়ে ওঠে শাহবাগ মোড়। বিপ্লবী গান, কবিতা ও প্রতিবাদী স্লোগানে শাহবাগ যেন আবারও এক ‘জুলাইয়ের’ আবহ ফিরে পায়।

এ সময় আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন। ‘এ লড়াইয়ে জিতবে কারা, হাদির সৈনিকেরা’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ-জিন্দাবাদ’, ‘শাহবাগ না ইনসাফ, ইনসাফ-ইনসাফ’, ‘হাদি মানে আজাদী, হাদি মানে ইনসাফ’—সহ নানা স্লোগান দেন।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “আমরা হঠাৎ করে একদিন রাস্তায় নামিনি। যদি ক্ষমতার চিন্তা করতাম, তাহলে জানাজার ময়দানে ঘোষণা দিয়ে দিতাম।”

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “যেহেতু জানাজার ময়দানে ঘোষণা দেইনি, তার মানে এখনো সুযোগ আছে। কিন্তু আগামীকাল যদি আমরা ঘোষণা দিয়ে দিই, তাহলে আপনাদের আর পেছনে ফেরার সময় থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “শত্রুরা চায় আমাদের ভেতরে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে ভাঙন ধরাতে। কিন্তু কোনো লাভ হবে না। কারণ এখানে যারা আছেন, তারা এই মাইকের বাইরে কারো কথা শুনতে চান না।”

উপদেষ্টাদের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা কারো সঙ্গে আপস করছি না। উপদেষ্টাদের সঙ্গে হবে সৌজন্যমূলক কথা, কিন্তু এখানে প্রাধান্য পাবে জনগণের কথা।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

হাদি মানে আজাদী, হাদি মানে ইনসাফ- স্লোগানে উত্তাল শাহবাগ

আপডেট সময় ১১:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ঘোষিত সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শহীদ হাদি চত্বর (শাহবাগ মোড়)। জনস্রোতে লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

 

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই শাহবাগে আন্দোলনকারীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্লোগান, গান ও কবিতায় মুখর হয়ে ওঠে শাহবাগ মোড়। বিপ্লবী গান, কবিতা ও প্রতিবাদী স্লোগানে শাহবাগ যেন আবারও এক ‘জুলাইয়ের’ আবহ ফিরে পায়।

এ সময় আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন। ‘এ লড়াইয়ে জিতবে কারা, হাদির সৈনিকেরা’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ-জিন্দাবাদ’, ‘শাহবাগ না ইনসাফ, ইনসাফ-ইনসাফ’, ‘হাদি মানে আজাদী, হাদি মানে ইনসাফ’—সহ নানা স্লোগান দেন।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “আমরা হঠাৎ করে একদিন রাস্তায় নামিনি। যদি ক্ষমতার চিন্তা করতাম, তাহলে জানাজার ময়দানে ঘোষণা দিয়ে দিতাম।”

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “যেহেতু জানাজার ময়দানে ঘোষণা দেইনি, তার মানে এখনো সুযোগ আছে। কিন্তু আগামীকাল যদি আমরা ঘোষণা দিয়ে দিই, তাহলে আপনাদের আর পেছনে ফেরার সময় থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “শত্রুরা চায় আমাদের ভেতরে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে ভাঙন ধরাতে। কিন্তু কোনো লাভ হবে না। কারণ এখানে যারা আছেন, তারা এই মাইকের বাইরে কারো কথা শুনতে চান না।”

উপদেষ্টাদের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা কারো সঙ্গে আপস করছি না। উপদেষ্টাদের সঙ্গে হবে সৌজন্যমূলক কথা, কিন্তু এখানে প্রাধান্য পাবে জনগণের কথা।”