মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে নীলফামারী-০২ (নীলফামারী সদর) আসনে বিএনপির এমপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার শাহরীন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ফটোকপি মনোনয়নপত্র দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর জমা দিয়েছেন এমন অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার (২৯ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা রির্টানিং আফিসারের কার্যালয়ের সামমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই আসনের দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা মার্কার প্রার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী ও নীলফামারী আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আল ফারুখ আব্দুল লতিফ অভিযোগ করে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনবিরোধী। সন্ধ্যা ৬টা পার হয়ে গেলেও ধানের শীষের প্রার্থী এখন পর্যন্ত মনোনয়নপত্রের মূল কপি জমা দিতে পারেননি। এরপরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে সেই ফটোকপি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘ফটোকপি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা, এডিসি (জেনারেল)সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি। বরং তারা নীরব থেকেছেন এবং ফটোকপি মনোনয়নপত্র গ্রহণের কাজেই ব্যস্ত ছিলেন। প্রশাসনের এমন কর্মকাণ্ডে তারা অনাস্থা প্রকাশ করে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। প্রশাসনের এই একপাক্ষিক আচরণের কারণে তারা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রতিবাদস্বরূপ একটি লিখিত দরখাস্ত জমা দিয়ে চলে আসেন বলে জানান।’
সংবাদ সম্মেলনে হাতপাখা মার্কার প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাছিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘এখানে উপস্থিত আমরা দুজনই প্রার্থী এবং আইনজীবী। আমরা জানি, ফটোকপি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার এখতিয়ার রিটার্নিং কর্মকর্তার নেই। অনতিবিলম্বে আজকের মধ্যেই এই মনোনয়ন বাতিল করতে হবে। আজ যদি তা না করা হয়, তাহলে আমরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবো।প্রশাসনের বর্তমান অবস্থা দেখে সামনে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যাবে কিনা, তা নিয়ে আমি গভীরভাবে দ্বিধাগ্রস্ত।’





















