ফেনী-২ (সদর) আসনে জোটের সমঝোতার কারণে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু প্রার্থী হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান জানান, জোটের বৃহত্তর স্বার্থ এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মনোনয়ন জমা দেননি। তিনি বলেন, “দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা হবে।”
সোমবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ফেনীর জনগণ অত্যন্ত জনপ্রিয় লিয়াকত আলী ভূঁইয়া দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তার সমর্থনে আমার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এটি জোটের আলোচনার এবং জুলাই অভ্যুত্থানের অঙ্গীকারের ভিত্তিতে নেওয়া একটি বড় সেক্রিফাইস।”
মনোনয়নপত্র জমার সময় জেলার বিভিন্ন দল ও জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এতে জামায়াত, এবি পার্টি, এনসিপি এবং জোটের অন্যান্য স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জোটের এই সমঝোতা ভোটারদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ বার্তা দিচ্ছে এবং এবি পার্টির শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তরুণ ও মধ্যবিত্ত ভোটার আকৃষ্ট হতে পারে। তবে সমালোচকরা বলছেন, জোটের প্রভাব এবং প্রার্থী পরিবর্তনের কারণে স্থানীয় স্বতন্ত্রতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে এবং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত হতে পারে।
ফেনীর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মনে করেন, মঞ্জুর প্রার্থিতা জোটের কৌশলগত সুবিধা হিসেবে কাজ করছে এবং এটি আসনের ভোটারদের মধ্যে দলের ঐক্য ও জোটের বৃহত্তর লক্ষ্য বাস্তবায়নের বার্তা পৌঁছে দিবে।





















