ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটি টাকার সম্পদের মালিক আমির হামজা, বছরে আয় সাড়ে ৮ লাখ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি মো. আমির হামজা। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা। একই সঙ্গে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা।

 

হলফনামায় মুফতি আমির হামজা পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন কৃষি ও ব্যবসা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এম.টি.আই.এস (মাস্টার্স অব থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ)। তার সাথে স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ নির্ভরশীল ৪ জন ব্যক্তি রয়েছেন পরিবারে।

হলফনামা অনুযায়ী- আমির হামজার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা। কৃষি থেকে তার বার্ষিক আয় ৫৫ হাজার টাকা এবং ব্যবসা ও পেশা থেকে আয় ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় হাতে নগদ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৭০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল ১২ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ টাকা।

হলফনামায় তার মালিকানাধীন মোটরযানের মূল্য ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হলেও গাড়িটির ধরন, মডেল কিংবা রেজিস্ট্রেশন নম্বর সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবপত্রের আনুমানিক বর্তমান মূল্য ৬ লাখ টাকা। ০.৩৩ একর জমিতে নির্মিত ভবনের মূল্য ৮৪ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং বাড়ির মূল্য ২০ লাখ টাকা। কৃষিজমি রয়েছে ০.৭৮৩১ একর, যার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা।

স্ত্রী ও তিন কন্যার নামে ব্যাংকে জমা রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৬৩৬ টাকা এবং স্ত্রীর কাছে নগদ ১ লাখ টাকা আছে। স্ত্রীর নামে উপহার হিসেবে পাওয়া আনুমানিক ১০ ভরি স্বর্ণ (হলফনামায় মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা) ও ১২ কাঠা কৃষি জমি রয়েছে (হলফনামায় যার মূল্য দেখানো হয়েছে ২ লাখ টাকা)।

হলফনামায় তথ্য অনুযায়ী, মুফতি আমির হামজার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে মোট সম্পদ ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা দেখানো হয়েছে। বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর দিয়েছেন ৫৪ হাজার ৯৬০ টাকা।

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে ঢাকায় ২টি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধনী ২০১৩) আইনে দায়ের করা ২টি মামলায় তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ বছরের সুরভীর বয়স ২০ দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ

কোটি টাকার সম্পদের মালিক আমির হামজা, বছরে আয় সাড়ে ৮ লাখ

আপডেট সময় ১১:০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি মো. আমির হামজা। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা। একই সঙ্গে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা।

 

হলফনামায় মুফতি আমির হামজা পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন কৃষি ও ব্যবসা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এম.টি.আই.এস (মাস্টার্স অব থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ)। তার সাথে স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ নির্ভরশীল ৪ জন ব্যক্তি রয়েছেন পরিবারে।

হলফনামা অনুযায়ী- আমির হামজার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা। কৃষি থেকে তার বার্ষিক আয় ৫৫ হাজার টাকা এবং ব্যবসা ও পেশা থেকে আয় ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় হাতে নগদ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৭০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল ১২ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ টাকা।

হলফনামায় তার মালিকানাধীন মোটরযানের মূল্য ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হলেও গাড়িটির ধরন, মডেল কিংবা রেজিস্ট্রেশন নম্বর সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবপত্রের আনুমানিক বর্তমান মূল্য ৬ লাখ টাকা। ০.৩৩ একর জমিতে নির্মিত ভবনের মূল্য ৮৪ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং বাড়ির মূল্য ২০ লাখ টাকা। কৃষিজমি রয়েছে ০.৭৮৩১ একর, যার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা।

স্ত্রী ও তিন কন্যার নামে ব্যাংকে জমা রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৬৩৬ টাকা এবং স্ত্রীর কাছে নগদ ১ লাখ টাকা আছে। স্ত্রীর নামে উপহার হিসেবে পাওয়া আনুমানিক ১০ ভরি স্বর্ণ (হলফনামায় মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা) ও ১২ কাঠা কৃষি জমি রয়েছে (হলফনামায় যার মূল্য দেখানো হয়েছে ২ লাখ টাকা)।

হলফনামায় তথ্য অনুযায়ী, মুফতি আমির হামজার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে মোট সম্পদ ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা দেখানো হয়েছে। বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয়কর দিয়েছেন ৫৪ হাজার ৯৬০ টাকা।

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে ঢাকায় ২টি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধনী ২০১৩) আইনে দায়ের করা ২টি মামলায় তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।