ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে ভারতসহ কেউ নাক গলানোর চেষ্টা করলে দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ: আদীব

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া কেউ নাক গলানোর চেষ্টা করলে বাংলাদেশের আপামর জনতা দাঁতভাঙা জবাব দিবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার, মানবাধিকার ও সার্বভৌমত্বের নির্বাচন।

 

গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুরে জড়ো হয়ে বারিধারায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে মিছিলে এ কথা বলেন আদীব। ঢাকা -১৮ আসনের এনসিপির এ প্রার্থী বলেন, ফেলানী দিবসে আমরা শপথ করতে চাই আগামীর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এনসিপির প্রতিটি নেতাকর্মী জীবন দিয়ে চেষ্টা করবে। আজকের এই দিনকে সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে রাষ্ট্রীয়ভাবে ফেলানী দিবস ঘোষণা করতে হবে।

সীমান্তে ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫ বছর পূর্তিতে ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী মার্চ’ কর্মসূচি পালন করে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুরে জড়ো হয়ে বারিধারায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে মিছিল শুরু করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। হাইকমিশনের কাছাকাছি যাওয়ার আগে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা তখন কুড়িলমুখী সড়কে দাঁড়িয়ে স্লোগান ও বক্তব্য দেন।

 

আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, সীমান্তে তখন শুধু ফেলানীকে ঝুলিয়ে রাখা হয়নি, সেখানে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। ভারতের মদদেই আওয়ামী লীগ পিলখানা ও শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালিয়েছিল।

 

এসময় নেতা-কর্মীরা ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’সহ নানা স্লোগান দেন। ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী মার্চ’ থেকে এনসিপির নেতাকর্মীরা বলেন, ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিচার হয়নি। এই বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ভারত বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে আওয়ামী লীগের সময়। গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত সব কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। শরিফ ওসমান হাদিকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশকে নগ্নভাবে হস্তক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরের পতন, এমন ভিডিও শেয়ার ট্রাম্পের

নির্বাচনে ভারতসহ কেউ নাক গলানোর চেষ্টা করলে দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ: আদীব

আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া কেউ নাক গলানোর চেষ্টা করলে বাংলাদেশের আপামর জনতা দাঁতভাঙা জবাব দিবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার, মানবাধিকার ও সার্বভৌমত্বের নির্বাচন।

 

গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুরে জড়ো হয়ে বারিধারায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে মিছিলে এ কথা বলেন আদীব। ঢাকা -১৮ আসনের এনসিপির এ প্রার্থী বলেন, ফেলানী দিবসে আমরা শপথ করতে চাই আগামীর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এনসিপির প্রতিটি নেতাকর্মী জীবন দিয়ে চেষ্টা করবে। আজকের এই দিনকে সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে রাষ্ট্রীয়ভাবে ফেলানী দিবস ঘোষণা করতে হবে।

সীমান্তে ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫ বছর পূর্তিতে ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী মার্চ’ কর্মসূচি পালন করে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুরে জড়ো হয়ে বারিধারায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে মিছিল শুরু করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। হাইকমিশনের কাছাকাছি যাওয়ার আগে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা তখন কুড়িলমুখী সড়কে দাঁড়িয়ে স্লোগান ও বক্তব্য দেন।

 

আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, সীমান্তে তখন শুধু ফেলানীকে ঝুলিয়ে রাখা হয়নি, সেখানে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। ভারতের মদদেই আওয়ামী লীগ পিলখানা ও শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালিয়েছিল।

 

এসময় নেতা-কর্মীরা ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’সহ নানা স্লোগান দেন। ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী মার্চ’ থেকে এনসিপির নেতাকর্মীরা বলেন, ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিচার হয়নি। এই বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ভারত বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে আওয়ামী লীগের সময়। গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত সব কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। শরিফ ওসমান হাদিকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশকে নগ্নভাবে হস্তক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।