ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজিবির বাঁধার মুখে সড়ক নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খলিশাকোঠাল সীমান্তের ওপারে বিএসএফ সদস্যরা নতুন সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করলে বিজিবির বাঁধার মুখে নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। এনিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি বিএসএফ টহল জোরদার দেখা গেছে।

এ রিপোর্ট লেখার সময় বিজিবি ও বিএসএফ সীমান্তের জিরো লাইনে দাঁড়িয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শোনা গেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় খলিশাকোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক পিলার নং ৯৩৪/১ এর নিকট বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট ১৫-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্প কমান্ডার আবু তাহের ও ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার মেঘ নারায়ণের কুঠি ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর দীপক কুমার।

 

আধঘণ্টাব্যাপী পতাকা বৈঠকে বালারহাট ক্যাম্পের ৬ বিজিবি সদস্য ও মেঘ নারায়ণের কুঠি ক্যাম্পের ৬ বিএসএফ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

 

বিজিবি ও সীমান্তবাসী সূত্রে জানা গেছে, খলিশাকোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৪/১ এস থেকে ৯৩৪/১১ এস পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার করলা এলাকায় কুর্শাহাট-টু-দিনহাটা যাওয়ার মেইন সড়ক। সীমান্তঘেঁষা এই সড়কটি ১ কিলোমিটার দূরত্বে কোথাও ৭০ গজ, কোথাও ৫০-৬০ গজ আবার কোথাও ১০০ থেকে ১২০ বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে।

 

ওই সীমান্তের একাধিক স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত তিন চার দিন থেকে সীমান্তঘেঁষা ১ কিলোমিটার পুরাতন সড়কটির পাশে পূর্ব দিকে নতুন করে পাকা সড়ক নির্মাণ করে আসছে। বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত থেকে রাতের-আঁধারে কাজ করে প্রায় পোয়া কিলোমিটারেরও বেশি কাজ ফেলেন। গত দুই তিন দিন থেকে বালারহাট ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা বাঁধা দিয়ে আসলেও ভারতীয় বিএসএফ সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখেনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

খলিশাকোঠাল সীমান্তের বাসিন্দা মজির রহমান জানান, গত দুই তিন থেকে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তে পুরাতন সড়কের সঙ্গেই পূর্ব পাশে রাতের আঁধারে পাকা সড়কের কাজ করে যাচ্ছেন। বিষয়টি বালারহাট ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের নজরের আসা মাত্র তারা বিজিবির টহল জোরদার করে ইতোমধ্যে দুই তিন দফা সড়কের কাজ বন্ধ রাখার জন্য বিএসএফ সদস্যদের চাপ দিলেও তারা কাজ বন্ধ করেনি উল্টো তারা রাতে রাতে সড়ক নির্মাণের কাজ চালিয়ে যান।

লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার আবু তাহের বৃহস্পতিবার বিকালে মোবাইল ফোনে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তে পাকা সড়ক নির্মাণের ঘটনায় পতাকা বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই মুহূর্তে বিজিবির টহল টিমসহ সীমান্তে অবস্থা করছি। বিজিবির টহল টিমের উপস্থিতি দেখে সড়ক

নির্মাণের কিছু কিছু সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে বিএসএফ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ২০

বিজিবির বাঁধার মুখে সড়ক নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ

আপডেট সময় ১১:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খলিশাকোঠাল সীমান্তের ওপারে বিএসএফ সদস্যরা নতুন সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করলে বিজিবির বাঁধার মুখে নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। এনিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি বিএসএফ টহল জোরদার দেখা গেছে।

এ রিপোর্ট লেখার সময় বিজিবি ও বিএসএফ সীমান্তের জিরো লাইনে দাঁড়িয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শোনা গেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় খলিশাকোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক পিলার নং ৯৩৪/১ এর নিকট বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লালমনিরহাট ১৫-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্প কমান্ডার আবু তাহের ও ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার মেঘ নারায়ণের কুঠি ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর দীপক কুমার।

 

আধঘণ্টাব্যাপী পতাকা বৈঠকে বালারহাট ক্যাম্পের ৬ বিজিবি সদস্য ও মেঘ নারায়ণের কুঠি ক্যাম্পের ৬ বিএসএফ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

 

বিজিবি ও সীমান্তবাসী সূত্রে জানা গেছে, খলিশাকোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৪/১ এস থেকে ৯৩৪/১১ এস পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার করলা এলাকায় কুর্শাহাট-টু-দিনহাটা যাওয়ার মেইন সড়ক। সীমান্তঘেঁষা এই সড়কটি ১ কিলোমিটার দূরত্বে কোথাও ৭০ গজ, কোথাও ৫০-৬০ গজ আবার কোথাও ১০০ থেকে ১২০ বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে।

 

ওই সীমান্তের একাধিক স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত তিন চার দিন থেকে সীমান্তঘেঁষা ১ কিলোমিটার পুরাতন সড়কটির পাশে পূর্ব দিকে নতুন করে পাকা সড়ক নির্মাণ করে আসছে। বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত থেকে রাতের-আঁধারে কাজ করে প্রায় পোয়া কিলোমিটারেরও বেশি কাজ ফেলেন। গত দুই তিন দিন থেকে বালারহাট ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা বাঁধা দিয়ে আসলেও ভারতীয় বিএসএফ সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখেনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

খলিশাকোঠাল সীমান্তের বাসিন্দা মজির রহমান জানান, গত দুই তিন থেকে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তে পুরাতন সড়কের সঙ্গেই পূর্ব পাশে রাতের আঁধারে পাকা সড়কের কাজ করে যাচ্ছেন। বিষয়টি বালারহাট ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের নজরের আসা মাত্র তারা বিজিবির টহল জোরদার করে ইতোমধ্যে দুই তিন দফা সড়কের কাজ বন্ধ রাখার জন্য বিএসএফ সদস্যদের চাপ দিলেও তারা কাজ বন্ধ করেনি উল্টো তারা রাতে রাতে সড়ক নির্মাণের কাজ চালিয়ে যান।

লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার আবু তাহের বৃহস্পতিবার বিকালে মোবাইল ফোনে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তে পাকা সড়ক নির্মাণের ঘটনায় পতাকা বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই মুহূর্তে বিজিবির টহল টিমসহ সীমান্তে অবস্থা করছি। বিজিবির টহল টিমের উপস্থিতি দেখে সড়ক

নির্মাণের কিছু কিছু সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে বিএসএফ।