ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির আরও এক প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষনা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬১৭ বার পড়া হয়েছে

ইসলামের ইতিহাসে রাসুলের (সা.) পর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞান-গবেষণার ক্ষেত্রে হজরত আলীর (আ.) প্রচেষ্টা এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।বিশ্বনবীর (সা.) জ্ঞানের শহরে প্রবেশ করতে হলে হজরত আলীর মাধ্যমেই তা সম্ভব।

 

আমিরুল মু’মিনিন হজরত আলীর (আ.) স্মরণে ‘বয়ানে ফাযায়েলে রজব ও জশনে মওলুদে কা’বা’ স্মরণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

 

শুক্রবার রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে ঢাকাস্থ আল মোস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধির দপ্তর, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটি, আল হাদি আন নাজিব ফাউন্ডেশন এবং ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান সাইন্স রিসার্স-এর যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান এবং ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেযা মীর মোহাম্মাদী।

 

বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা ড. সৈয়দ এমদাদ উদ্দিন নিজামপুরী, মহাখালী দারুল উলুম হোসাইনিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম আল-মারুফ এবং বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটির সহ-সভাপতি সাইয়্যেদ আফতাব হোসাইন নাকাভী।

এ ছাড়াও ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান সাইন্স রিসার্স-এর পরিচালক ড. এ কে এম আনোয়ারুল কবীর, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটির সেক্রেটারী জেনারেল ড. এম আব্দুল কুদ্দুস বাদশা এবং আলী ইবনে আবি তালিব ইসলামিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ আলী মূর্তজা তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।

 

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাসূলে আকরাম (সা.) ইসলামিক ইন্সটিটিউট-এর প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দন।

 

বক্তারা তাদের আলোচনায় হজরত আলীকে (আ.) বীরত্ব, মহানুভবতা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তারা বলেন, রাসুলে পাক (সা.) হজরত আলীকে হারুনের (আ.) সঙ্গে তুলনা করেছিলেন এবং তাকে ‘জ্ঞানের নগরীর দরজা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্বনবীর (সা.) জ্ঞানের শহরে প্রবেশ করতে হলে হজরত আলীর মাধ্যমেই তা সম্ভব। পবিত্র কুরআনের প্রতিটি আয়াতের গভীর অর্থ ও ব্যাখ্যা রাসূল (সা.)-এর কাছ থেকে সরাসরি অর্জন করেছিলেন হজরত আলী (আ.)। প্রচলিত আছে যে, মহানবী (সা.) তাকে এক হাজারটি জ্ঞানের অধ্যায় শিখিয়েছিলেন, যার প্রতিটির আবার এক হাজারটি করে শাখা ছিল।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা আরও গুরুত্বারোপ করেন যে, হজরত আলী (আ.)-এর ব্যক্তিত্ব ও জীবনদর্শন কেবল মুসলিম কবি বা সাহিত্যিকদেরই নয়, বরং অমুসলিম পণ্ডিত ও মনীষীদেরও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। তার চরিত্রের বিশালতা ও মহত্ত্ব দেখে বিশ্বের বড় বড় চিন্তাবিদ ও গবেষকরা অভিভূত হয়েছেন।

 

বক্তারা মনে করেন, বর্তমান সময়ে হজরত আলীর বরকতময় জীবনের আদর্শ অনুসরণ করা মানুষের ঈমানকে মজবুত করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

বিএনপির আরও এক প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষনা

আপডেট সময় ১০:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামের ইতিহাসে রাসুলের (সা.) পর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞান-গবেষণার ক্ষেত্রে হজরত আলীর (আ.) প্রচেষ্টা এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।বিশ্বনবীর (সা.) জ্ঞানের শহরে প্রবেশ করতে হলে হজরত আলীর মাধ্যমেই তা সম্ভব।

 

আমিরুল মু’মিনিন হজরত আলীর (আ.) স্মরণে ‘বয়ানে ফাযায়েলে রজব ও জশনে মওলুদে কা’বা’ স্মরণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

 

শুক্রবার রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে ঢাকাস্থ আল মোস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধির দপ্তর, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটি, আল হাদি আন নাজিব ফাউন্ডেশন এবং ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান সাইন্স রিসার্স-এর যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান এবং ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেযা মীর মোহাম্মাদী।

 

বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা ড. সৈয়দ এমদাদ উদ্দিন নিজামপুরী, মহাখালী দারুল উলুম হোসাইনিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম আল-মারুফ এবং বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটির সহ-সভাপতি সাইয়্যেদ আফতাব হোসাইন নাকাভী।

এ ছাড়াও ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান সাইন্স রিসার্স-এর পরিচালক ড. এ কে এম আনোয়ারুল কবীর, বাংলাদেশ ইমামিয়া উলামা সোসাইটির সেক্রেটারী জেনারেল ড. এম আব্দুল কুদ্দুস বাদশা এবং আলী ইবনে আবি তালিব ইসলামিক ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল হুজ্জাতুল ইসলাম মোহাম্মদ আলী মূর্তজা তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।

 

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাসূলে আকরাম (সা.) ইসলামিক ইন্সটিটিউট-এর প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দন।

 

বক্তারা তাদের আলোচনায় হজরত আলীকে (আ.) বীরত্ব, মহানুভবতা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তারা বলেন, রাসুলে পাক (সা.) হজরত আলীকে হারুনের (আ.) সঙ্গে তুলনা করেছিলেন এবং তাকে ‘জ্ঞানের নগরীর দরজা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্বনবীর (সা.) জ্ঞানের শহরে প্রবেশ করতে হলে হজরত আলীর মাধ্যমেই তা সম্ভব। পবিত্র কুরআনের প্রতিটি আয়াতের গভীর অর্থ ও ব্যাখ্যা রাসূল (সা.)-এর কাছ থেকে সরাসরি অর্জন করেছিলেন হজরত আলী (আ.)। প্রচলিত আছে যে, মহানবী (সা.) তাকে এক হাজারটি জ্ঞানের অধ্যায় শিখিয়েছিলেন, যার প্রতিটির আবার এক হাজারটি করে শাখা ছিল।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা আরও গুরুত্বারোপ করেন যে, হজরত আলী (আ.)-এর ব্যক্তিত্ব ও জীবনদর্শন কেবল মুসলিম কবি বা সাহিত্যিকদেরই নয়, বরং অমুসলিম পণ্ডিত ও মনীষীদেরও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। তার চরিত্রের বিশালতা ও মহত্ত্ব দেখে বিশ্বের বড় বড় চিন্তাবিদ ও গবেষকরা অভিভূত হয়েছেন।

 

বক্তারা মনে করেন, বর্তমান সময়ে হজরত আলীর বরকতময় জীবনের আদর্শ অনুসরণ করা মানুষের ঈমানকে মজবুত করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।