ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫০ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় ‘মিস ফায়ারে’ মাসুম মিয়া (১৯) নামের এক কনস্টেবল গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

 

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়েছে এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) ভর্তি রয়েছেন।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, পুলিশে যোগ দেওয়ার পর মাসুম চার মাসের প্রশিক্ষণে ছিলেন। তার প্রশিক্ষণ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর সময় অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর রাইফেলের গুলি ‘মিস ফায়ার’ হয়ে মাসুমের পিঠে আঘাত হানে। গুলিটি বুকের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

 

প্রাথমিকভাবে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার গুরুতরতা বিবেচনা করে হেলিকপ্টারে ঢাকায় পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাসুমের অবস্থা এখনও সঙ্কটাপন্ন।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলছিল। এসময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মাসুম সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ২০২৫ সালে পুলিশে যোগ দেন এবং অক্টোবর মাসে মহেড়া ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন।

 

এ ঘটনায় ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা মোবাইলে কল রিসিভ করেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

এবার পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় ‘মিস ফায়ারে’ মাসুম মিয়া (১৯) নামের এক কনস্টেবল গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

 

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়েছে এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) ভর্তি রয়েছেন।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, পুলিশে যোগ দেওয়ার পর মাসুম চার মাসের প্রশিক্ষণে ছিলেন। তার প্রশিক্ষণ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর সময় অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর রাইফেলের গুলি ‘মিস ফায়ার’ হয়ে মাসুমের পিঠে আঘাত হানে। গুলিটি বুকের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

 

প্রাথমিকভাবে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার গুরুতরতা বিবেচনা করে হেলিকপ্টারে ঢাকায় পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাসুমের অবস্থা এখনও সঙ্কটাপন্ন।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলছিল। এসময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মাসুম সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ২০২৫ সালে পুলিশে যোগ দেন এবং অক্টোবর মাসে মহেড়া ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন।

 

এ ঘটনায় ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা মোবাইলে কল রিসিভ করেননি।