মজুমদার জানান, মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. এর বিখ্যাত আরবি গ্রন্থ ‘আল-মাদখাল ইলা উলুমিল হাদিসিশ শরিফ’ ২০২১ সালের মতো ২০২৬ সালের এই আসরেও বেস্টসেলারের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁর গবেষণামূলক নতুন গ্রন্থগুলোও আন্তর্জাতিক পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আরবি ভাষার দুষ্পাপ্র্য কিতাব সংগ্রহের জন্য এই মেলা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বাংলাদেশি লেখকের বই ভিনদেশে দাপটের সাথে বিক্রি হওয়াও অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মেলাটি জেনারেল ইজিপশিয়ান বুক অর্গানাইজেশন (GEBO)-এর তত্ত্বাবধানে চলছে। মেলা প্রাঙ্গণের হলগুলো বিষয়ভিত্তিক ভাগে সাজানো হয়েছে। ১ নম্বর হলে আয়োজক সংস্থা এবং কালচারাল প্যালেস অথরিটি। ২ ও ৩ নম্বর হলে বিদেশি প্রকাশনী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনা সংস্থা।
৪ নম্বর হলে ধর্মীয় প্রকাশনা ও আল-আযহার প্যাভিলিয়ন। এখানে ফতুয়া কর্নার রয়েছে এবং বিনামূল্যে উপহারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ৫ নম্বর হলে শিশুদের জন্য বিশেষ কর্নার, যেখানে নামমাত্র মূল্যে বই ও বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান এই মহাযজ্ঞে অংশ নিয়েছে ১,৪৫৭টি প্রকাশনী এবং ৬,৬৩৭ জন প্রদর্শক। মেলাটিকে ঘিরে আয়োজন করা হয়েছে প্রায় ৪০০টি সাংস্কৃতিক কর্মশালা। পার্সোনালিটি অব দ্য ইয়ার: এবারের মেলাটি উৎসর্গ করা হয়েছে মিশরের নোবেলজয়ী সাহিত্যিক নাগিব মাহফুজ-কে।
পাঠকদের বইমুখী করতে মেলায় সরকারি-বেসরকারি সব প্রকাশনীতে থাকছে ৩০% ছাড়। এছাড়া মিশর সরকারের বিশেষ প্রকল্প ‘A Library for Every Home’-এর আওতায় বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, মাত্র ১০০ পাউন্ডে ২০টি বইয়ের বিশেষ প্যাকেজ। কিছু কিছু বই পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১ পাউন্ডেও। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপসহ সারা বিশ্বের জ্ঞানপিপাসু মানুষ এবং আন্তর্জাতিক প্রকাশকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে কায়রো। অক্ষরের এই বিশ্বযুদ্ধ চলবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
তথ্যসূত্র: সময় সংবাদ






















