আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এমন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ইন্নাল্লাহা মা’আসসবিরীন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। যিনি সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি, এমন মানুষই আগামীর রাষ্ট্রপতি হবেন।’
গত শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা–১৫ আসনে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে করা প্রশ্নটি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও আলোচনা দেখা যায়। অনেকেই জানতে চান, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা দায়িত্ব পাবেন।
রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণা না করে মূলত নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে সততা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠা। এমন মানুষই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং দেশের মর্যাদা রক্ষা করতে সক্ষম হয়।’ তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য মানুষের ধৈর্য ও সংগ্রাম প্রয়োজন। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, শান্তি চায়, সুশাসন চায়। আমরা চাই, এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে নির্যাতিত হবে না, কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’ ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ। তিনি দাবি করেন, দেশকে সঠিক পথে নিতে হলে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে সৎ ও যোগ্য লোকদের দায়িত্ব দিতে হবে। দেশ পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটা আমানত। এই আমানত যাদের হাতে যাবে, তাদের অবশ্যই সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।



















