ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থীরা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২৮ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থী। সাদা–কালোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও টানানো হচ্ছে রঙিন ব্যানার। বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বিদ্যুতের খুঁটি ও সরকারি স্থাপনাতেও লাগানো হচ্ছে প্রচার সামগ্রী। বিশ্লেষকদের মতে, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বহীনতাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

এদিকে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। তাই প্রচারণায় সরগরম সারাদেশ। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে আচরণবিধি ভাঙার প্রতিযোগিতাও। এই যেমন, ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও এনসিপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাদা–কালোর পরিবর্তে রঙিন ব্যানার টাঙিয়েছেন। বিদ্যুতের খুঁটিতে ফেস্টুন লাগানো নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছে না।

একই চিত্র দেখা যাচ্ছে ঢাকা–১০ আসনেও। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও কলম প্রতীকের প্রার্থীরা বিভিন্ন স্থানে সরকারি স্থাপনাতে প্রচার সামগ্রী লাগিয়েছেন। ঢাকা–১২ ও ১৩ আসনসহ রাজধানীর প্রায় সবগুলো আসনেই কোনো না কোনোভাবে ভাঙা হচ্ছে আচরণবিধি। তবে প্রার্থীদের দাবি, পোস্টারবিহীন নির্বাচনে প্রচারণা চালানো কঠিন। এ ছাড়া তারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।

এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই অনেকেই আইন মানছেন না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচন কমিশনের শিথিলতাকেও দায়ী করেন।

তবে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার দাবি করেন, অনিয়ম চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি বলবো না শতভাগ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। তবে আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো পরিবেশ বিরাজ করছে।” ভোটের প্রচারণাতেই যারা আচরণবিধি ভাঙছেন, নির্বাচিত হলে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা ভূমিকা রাখতে পারবেন—তা নিয়ে সংশয় ভোটারদের।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার তারেক রহমানের আসনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নারীদের বড় শোডাউন

নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থীরা

আপডেট সময় ১১:২৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থী। সাদা–কালোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও টানানো হচ্ছে রঙিন ব্যানার। বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বিদ্যুতের খুঁটি ও সরকারি স্থাপনাতেও লাগানো হচ্ছে প্রচার সামগ্রী। বিশ্লেষকদের মতে, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বহীনতাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

এদিকে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। তাই প্রচারণায় সরগরম সারাদেশ। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে আচরণবিধি ভাঙার প্রতিযোগিতাও। এই যেমন, ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও এনসিপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাদা–কালোর পরিবর্তে রঙিন ব্যানার টাঙিয়েছেন। বিদ্যুতের খুঁটিতে ফেস্টুন লাগানো নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছে না।

একই চিত্র দেখা যাচ্ছে ঢাকা–১০ আসনেও। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও কলম প্রতীকের প্রার্থীরা বিভিন্ন স্থানে সরকারি স্থাপনাতে প্রচার সামগ্রী লাগিয়েছেন। ঢাকা–১২ ও ১৩ আসনসহ রাজধানীর প্রায় সবগুলো আসনেই কোনো না কোনোভাবে ভাঙা হচ্ছে আচরণবিধি। তবে প্রার্থীদের দাবি, পোস্টারবিহীন নির্বাচনে প্রচারণা চালানো কঠিন। এ ছাড়া তারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।

এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই অনেকেই আইন মানছেন না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচন কমিশনের শিথিলতাকেও দায়ী করেন।

তবে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার দাবি করেন, অনিয়ম চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি বলবো না শতভাগ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। তবে আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো পরিবেশ বিরাজ করছে।” ভোটের প্রচারণাতেই যারা আচরণবিধি ভাঙছেন, নির্বাচিত হলে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা ভূমিকা রাখতে পারবেন—তা নিয়ে সংশয় ভোটারদের।