এবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করিম বলেছেন, ‘১৯৮৭ সালে ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের দল থেকে একজন এমপি-ও এ পর্যন্ত সংসদে যায় নাই। সংসদে যাওয়ার সুযোগ অনেক ছিল। বহুদল এখনো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তারা আমাদের এমপি দেবে, মন্ত্রিত্ব দেবে। আজকে টাকার অভাবে আমাদের এমপি প্রার্থীদের ঠিকমতো নির্বাচন করতে কষ্ট হয়।’ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ইসহাক চোকদারের হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করিম বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন কখনোই যে গতানুগতিক নীতি-আদর্শের মাধ্যমে, যেই নেতাদের মাধ্যমে, যেই নেতৃত্বের মাধ্যমে হাজার হাজার মায়ের বুক খালি হয়েছে, সেই নীতি-আদর্শ ও নেতাদের সহযোগী আমরা হতে পারি না।’ তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে দেশ বিনির্মাণের জন্য, দেশের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে ইসলামের পক্ষে একটি বাক্স ঘোষণা করেছিলাম। প্রথমে কওমি ঘরানার দল নিয়ে করেছিলাম। এক পর্যায়ে জামায়াত আমাদের সঙ্গে যোগ দেয়। পরবর্তী সময় সেই ৬ নম্বর দল হয়ে যায় মাতুব্বর। তারা শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবে না।
যারা ভারত ও আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে। তাদের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলন থাকতে পারে না।’ জামায়াত জোট সম্পর্কে চরমোনাই পীর বলেন, ‘জামায়াতের এক হিন্দু প্রার্থী আছে। সাংবাদিকরা যখন ওই প্রার্থীকে প্রশ্ন করলেন আপনি ইসলামী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেন কেন? উত্তরে ওই প্রার্থী বললেন, আপনারা জামায়াতকে ইসলামী দল বলেন কেন? জামায়াত তো ইসলামী দল নয়। এদিকে, কর্নেল অলি আহমেদ বলেছেন, জামায়াত ইসলাম অনুযায়ী দেশ চালাবে না।
প্রচলিত নিয়মে দেশ চালাবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রচলিত নিয়ম ৫৪ বছর ধরে চলছে। এ নীতি-আদর্শের মাধ্যমে খুন, চুরি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, বিদেশে টাকা পাচার বন্ধ করা যায়নি। প্রচলিত নীতি লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তাদের সংসারকে বিলীন করেছে। প্রচলিত নীতি ও আদর্শ এ দেশে বসে বিদেশিদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তাই প্রচলিত নিয়মনীতি আর আদর্শের মাধ্যমে ভালো ফল পাওয়ার আশা করা যায় না।’






















