ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাড়ির উঠানে দাদির, সরিষাক্ষেতে মিলল নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার পাবনায় ঈশ্বরদীতে আলাদা জায়গা থেকে দাদিনাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠান থেকে দাদির আর সরিষাক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

এদিকে নিহতরা দুজন হলেনউপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা জয়নাল খার মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫) শুধু তারা দুজনই বাড়িতে থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর বাবা ঢাকায় থাকেন। মধ্যরাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শোনা যায়। লোকজন বেরিয়ে এলেও কান্না থেমে যাওয়ায় আবার ফিরে যান। পরে সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তার নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় সরিষাক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়৷

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মধ্যরাতে নাতনিকে তুলে নিতে বাধা দিলে দাদিকে হত্যা করা হয়। আর নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সরিষাক্ষেত্রে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। তার মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে কাটা হাত-পা উদ্ধার, আঙুলের ছাপে মিললো পরিচয়

বাড়ির উঠানে দাদির, সরিষাক্ষেতে মিলল নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ

আপডেট সময় ১১:৪৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার পাবনায় ঈশ্বরদীতে আলাদা জায়গা থেকে দাদিনাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠান থেকে দাদির আর সরিষাক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

এদিকে নিহতরা দুজন হলেনউপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা জয়নাল খার মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫) শুধু তারা দুজনই বাড়িতে থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর বাবা ঢাকায় থাকেন। মধ্যরাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শোনা যায়। লোকজন বেরিয়ে এলেও কান্না থেমে যাওয়ায় আবার ফিরে যান। পরে সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তার নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় সরিষাক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়৷

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মধ্যরাতে নাতনিকে তুলে নিতে বাধা দিলে দাদিকে হত্যা করা হয়। আর নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সরিষাক্ষেত্রে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। তার মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।