ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কান্না সহ্য করতে না পেরে দুই মাসের শিশুকে আছাড় দিয়ে হত্যা, বাবা আটক

এবার ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মাস বয়সী শিশুপুত্রকে আছাড় দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা সুলতানকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় ফুলগাজী ভূমি অফিসের পাশে মেম্বার কলোনির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটির নাম জুনায়েদ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির মা রুনা আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী সুলতান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। এর আগেও কয়েকবার তাদের শিশুসন্তানের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শিশুটিকে কোলে নিয়ে একপর্যায়ে আছাড় দিলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুলতান দাবি করেছেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানকে হত্যা করেননি। সন্তানকে নিয়ে খেলাধুলার সময় অসাবধানতাবশত তার হাত থেকে পড়ে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, সুলতানের বাড়ি নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ডাকঘর এলাকায় ও রুনা আক্তারের বাড়ি একই উপজেলার বাহাড়তলা এলাকায়। কয়েক বছর আগে তারা ফেনীর ফুলগাজীতে এসে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা। সুলতান বিভিন্ন স্থানে দিনমজুর ও শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

এদিকে ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াতে আমির

কান্না সহ্য করতে না পেরে দুই মাসের শিশুকে আছাড় দিয়ে হত্যা, বাবা আটক

আপডেট সময় ০১:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

এবার ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মাস বয়সী শিশুপুত্রকে আছাড় দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা সুলতানকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় ফুলগাজী ভূমি অফিসের পাশে মেম্বার কলোনির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটির নাম জুনায়েদ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির মা রুনা আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী সুলতান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। এর আগেও কয়েকবার তাদের শিশুসন্তানের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শিশুটিকে কোলে নিয়ে একপর্যায়ে আছাড় দিলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুলতান দাবি করেছেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানকে হত্যা করেননি। সন্তানকে নিয়ে খেলাধুলার সময় অসাবধানতাবশত তার হাত থেকে পড়ে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, সুলতানের বাড়ি নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ডাকঘর এলাকায় ও রুনা আক্তারের বাড়ি একই উপজেলার বাহাড়তলা এলাকায়। কয়েক বছর আগে তারা ফেনীর ফুলগাজীতে এসে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা। সুলতান বিভিন্ন স্থানে দিনমজুর ও শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

এদিকে ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।