ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরব দেশগুলোর ‘ক্ষোভ’ এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:১৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৫৫২ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এরমধ্যে নতুন করে শোনা গেছে দেশটি হরমুজে মাইন স্থাপন শুরু করেছে। আর এ বিষয়টি আরব দেশগুলোর জন্য বেশ জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে যাচ্ছে। এতে করে তাদের ক্ষোভ এখন ইরানের দিক থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিডেল ইস্ট ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো জ্যাসন ক্যাম্পবেল।

তিনি বলেছেন, এতদিন ধরে ইরান হরমুজ বন্ধের যে হুমকি দিচ্ছিল সেটি ছিল মূলত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের বিষয়। কিন্তু এখন হরমুজে মাইন স্থাপন করলে এটি বড় রূপ ধারণ করবে। বর্তমানে হরমুজে আটকে থাকা তেলের ট্যাংকার এবং কার্গো জাহাজগুলো নিকট ভবিষ্যতে সেখান থেকে সরতে পারবে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামোগত সক্ষমতা নেই ইরানিদের অবরোধ ভেঙে সেখান দিয়ে জাহাজ চালাবে।

আর যুদ্ধের কারণে তৈরি এমন পরিস্থিতি আরব দেশগুলোর মধ্যে আরও হতাশা তৈরি করবে। তিনি আলজাজিরাকে বলেছেন, “এ মুহূর্তে আপনি দেখবেন, প্রথমদিকে আরব দেশগুলোর ক্ষোভ ছিল ইরানের প্রতি। কিন্তু ধীরে ধীরে এখন এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে যাচ্ছে। আরবের সবগুলো দেশ এখন অবকাঠামোগত এবং অর্থনৈতিক উভয় দিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

আরব দেশগুলোর ‘ক্ষোভ’ এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে

আপডেট সময় ১১:১৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এরমধ্যে নতুন করে শোনা গেছে দেশটি হরমুজে মাইন স্থাপন শুরু করেছে। আর এ বিষয়টি আরব দেশগুলোর জন্য বেশ জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে যাচ্ছে। এতে করে তাদের ক্ষোভ এখন ইরানের দিক থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিডেল ইস্ট ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো জ্যাসন ক্যাম্পবেল।

তিনি বলেছেন, এতদিন ধরে ইরান হরমুজ বন্ধের যে হুমকি দিচ্ছিল সেটি ছিল মূলত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের বিষয়। কিন্তু এখন হরমুজে মাইন স্থাপন করলে এটি বড় রূপ ধারণ করবে। বর্তমানে হরমুজে আটকে থাকা তেলের ট্যাংকার এবং কার্গো জাহাজগুলো নিকট ভবিষ্যতে সেখান থেকে সরতে পারবে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামোগত সক্ষমতা নেই ইরানিদের অবরোধ ভেঙে সেখান দিয়ে জাহাজ চালাবে।

আর যুদ্ধের কারণে তৈরি এমন পরিস্থিতি আরব দেশগুলোর মধ্যে আরও হতাশা তৈরি করবে। তিনি আলজাজিরাকে বলেছেন, “এ মুহূর্তে আপনি দেখবেন, প্রথমদিকে আরব দেশগুলোর ক্ষোভ ছিল ইরানের প্রতি। কিন্তু ধীরে ধীরে এখন এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে যাচ্ছে। আরবের সবগুলো দেশ এখন অবকাঠামোগত এবং অর্থনৈতিক উভয় দিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা