ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান-হিজবুল্লাহর হামলার আতঙ্কে মানসিক রোগী বাড়ছে ইসরায়েলে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩২ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানহিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আতঙ্কে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষদের জীবন এখন পুরোপুরি পাল্টে গেছে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটোছুটি এবং সাইরেনের শব্দে আতঙ্কিত হওয়াএগুলো এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, দিনে কয়েকবারই সাইরেন বাজে, এবং মানুষরা মুহূর্তের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। কিছু সময় পর বিপদ কাটার ঘোষণা পেলে আবার বাড়িতে ফিরলেও, কয় ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় সেই আতঙ্ক তাদের ঘিরে ধরে। এমন চক্র চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মাত্রা ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

কিছুক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাইরেন বাজলেও কোনো হামলা আসেনি, আবার কখনো প্রকৃত হামলা আসলেও সাইরেন কাজ করে না। এর ফলে মানুষদের মনে মিশ্র আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই দীর্ঘমেয়াদী চাপ এবং বিনিদ্র রাত সাধারণ মানুষের মধ্যে মানসিক রোগ এবং উদ্বেগের মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে।

এদিকে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দেশটির শিক্ষাবিদরা বলছেন, নিয়মিত স্কুল এবং কর্মজীবনও এই পরিস্থিতিতে বিপুলভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা সামাজিক ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া, অনেক পরিবার নিরাপত্তার খরচ বহন করতে অস্বস্তিতে রয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা, জরুরি খাদ্য ও পানীয়ের জোগানসবই নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠেছে। 

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

ইরান-হিজবুল্লাহর হামলার আতঙ্কে মানসিক রোগী বাড়ছে ইসরায়েলে

আপডেট সময় ১১:২৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানহিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আতঙ্কে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষদের জীবন এখন পুরোপুরি পাল্টে গেছে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটোছুটি এবং সাইরেনের শব্দে আতঙ্কিত হওয়াএগুলো এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, দিনে কয়েকবারই সাইরেন বাজে, এবং মানুষরা মুহূর্তের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। কিছু সময় পর বিপদ কাটার ঘোষণা পেলে আবার বাড়িতে ফিরলেও, কয় ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় সেই আতঙ্ক তাদের ঘিরে ধরে। এমন চক্র চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মাত্রা ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

কিছুক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাইরেন বাজলেও কোনো হামলা আসেনি, আবার কখনো প্রকৃত হামলা আসলেও সাইরেন কাজ করে না। এর ফলে মানুষদের মনে মিশ্র আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই দীর্ঘমেয়াদী চাপ এবং বিনিদ্র রাত সাধারণ মানুষের মধ্যে মানসিক রোগ এবং উদ্বেগের মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে।

এদিকে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দেশটির শিক্ষাবিদরা বলছেন, নিয়মিত স্কুল এবং কর্মজীবনও এই পরিস্থিতিতে বিপুলভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা সামাজিক ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া, অনেক পরিবার নিরাপত্তার খরচ বহন করতে অস্বস্তিতে রয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা, জরুরি খাদ্য ও পানীয়ের জোগানসবই নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠেছে।