ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে: মুজতবা খামেনির প্রথম বার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনি দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বার্তা দিয়েছেন। তিনি তার প্রথম বার্তায় ইসলামী বিপ্লবের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শাহাদাতে সবাইকে শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

এরপর তিনি জনগণের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, যদি আপনাদের শক্তি মাঠে উপস্থিত না থাকে, তবে নেতৃত্ব কিংবা রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই, যাদের প্রকৃত দায়িত্ব জনগণের সেবা করা, কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।

এদিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে বলেনআমি এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করার পরামর্শ দিচ্ছি। এই অঞ্চলে অবস্থিত শত্রুদের ঘাঁটিগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে।

আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেসি বলেন, শত্রুদের কাছে ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে। তারা যদি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সম্পদ থেকে আমরাই সেই ক্ষতিপূরণ নিয়ে নেব। আর যদি সেটাও সম্ভব না হয় তাহলে আমাদের যতটুকু ক্ষতি করা হয়েছে তাদের সেই পরিমাণ ক্ষতি আমরা করব। সূত্র: ইরান ওয়ার

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে: মুজতবা খামেনির প্রথম বার্তা

আপডেট সময় ১১:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

এবার ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনি দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বার্তা দিয়েছেন। তিনি তার প্রথম বার্তায় ইসলামী বিপ্লবের শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শাহাদাতে সবাইকে শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

এরপর তিনি জনগণের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, যদি আপনাদের শক্তি মাঠে উপস্থিত না থাকে, তবে নেতৃত্ব কিংবা রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই, যাদের প্রকৃত দায়িত্ব জনগণের সেবা করা, কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।

এদিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে বলেনআমি এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করার পরামর্শ দিচ্ছি। এই অঞ্চলে অবস্থিত শত্রুদের ঘাঁটিগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে।

আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেসি বলেন, শত্রুদের কাছে ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে। তারা যদি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সম্পদ থেকে আমরাই সেই ক্ষতিপূরণ নিয়ে নেব। আর যদি সেটাও সম্ভব না হয় তাহলে আমাদের যতটুকু ক্ষতি করা হয়েছে তাদের সেই পরিমাণ ক্ষতি আমরা করব। সূত্র: ইরান ওয়ার