ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস, মাত্র ৮ বিডিআরের সদস্যের কাছে পরাজিত হয়েছিল ভারতীয় বাহিনী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে

আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) কুড়িগ্রামের রৌমারীর ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস। ২০০১ সালের এই দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বড়াইবাড়ির ঘুমন্ত মানুষের ওপর নির্মমভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সে সময় বিডিআর ক্যাম্প (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ক্যাম্প) ও বড়াইবাড়ি দখলে নেওয়ার জন্য বিএসএফের সেই অপচেষ্টা প্রতিহত করে বিজিবি জোয়ান। বিজিবির সঙ্গে ছিল সীমান্তের সাধারণ মানুষও।

উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ে ৩ বিডিআর জোয়ান শহীদ হন। অপরদিকে ১৬ বিএসএফ সদস্য নিহত হন। বিএসএফের গুলিতে আহত হন আরও ছয় সাধারণ বাংলাদেশি। বিএসএফের মর্টার সেল ও আগুনে বড়াইবাড়ি গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

গত ২০০১ সালের ওই ঘটনার পর থেকে বড়াইবাড়ি সীমান্তের মানুষ বড়াইবাড়ি দিবস হিসেবে উদযাপন করে আসছে। বিজিবি জোয়ানরাও সীমান্তবাসীর সঙ্গে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকেন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম৪ আসনের সাবেক এমপি রুহুল আমিন বলেন, ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবসের কর্মসূচির মধ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

আজ ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস, মাত্র ৮ বিডিআরের সদস্যের কাছে পরাজিত হয়েছিল ভারতীয় বাহিনী

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) কুড়িগ্রামের রৌমারীর ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস। ২০০১ সালের এই দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বড়াইবাড়ির ঘুমন্ত মানুষের ওপর নির্মমভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সে সময় বিডিআর ক্যাম্প (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ক্যাম্প) ও বড়াইবাড়ি দখলে নেওয়ার জন্য বিএসএফের সেই অপচেষ্টা প্রতিহত করে বিজিবি জোয়ান। বিজিবির সঙ্গে ছিল সীমান্তের সাধারণ মানুষও।

উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ে ৩ বিডিআর জোয়ান শহীদ হন। অপরদিকে ১৬ বিএসএফ সদস্য নিহত হন। বিএসএফের গুলিতে আহত হন আরও ছয় সাধারণ বাংলাদেশি। বিএসএফের মর্টার সেল ও আগুনে বড়াইবাড়ি গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

গত ২০০১ সালের ওই ঘটনার পর থেকে বড়াইবাড়ি সীমান্তের মানুষ বড়াইবাড়ি দিবস হিসেবে উদযাপন করে আসছে। বিজিবি জোয়ানরাও সীমান্তবাসীর সঙ্গে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকেন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম৪ আসনের সাবেক এমপি রুহুল আমিন বলেন, ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবসের কর্মসূচির মধ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন রাখা হয়েছে।