ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে ভিক্ষাবৃত্তি, দেশে ফিরতেই ৩ নারীসহ আটক ৪ 

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৫:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার সৌদি আরবে সংঘবদ্ধ ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) শনিবার (১৮ এপ্রিল) দেশটির সিয়ালকোট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের আটক করা হয়। পাক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

এফআইএর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শাহ নওয়াজ, শাহজিয়া, সোনিয়া ও ফারজানা বিবি। তারা সবাই পাকিস্তানের ইসলামাবাদের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ওমান হয়ে সৌদি আরব থেকে সিয়ালকোটে পৌঁছালে তাদের সন্দেহজনক ভ্রমণ ইতিহাসের কারণে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আটক হওয়া ব্যক্তিরা সবাই সৌদি আরবে সংঘবদ্ধভাবে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা মোহাম্মদ সিদ্দিক আকবর নামে সৌদি আরব প্রবাসী এক দালালের মাধ্যমে ভিসা ও টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতিজনের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার রুপি করে ওই দালালকে দেয়া হয়, যা ভিক্ষা করে অর্জিত অর্থ থেকেই পরিশোধ করা হয়েছিল।

এফআইএর গুজরানওয়ালা জোনের পরিচালক মুহাম্মদ বিন আশরাফ জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। এই চক্রের মূল হোতাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সৌদি আরবের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তিনি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সবরকমের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে ভিক্ষাবৃত্তি, দেশে ফিরতেই ৩ নারীসহ আটক ৪ 

আপডেট সময় ০৫:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার সৌদি আরবে সংঘবদ্ধ ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) শনিবার (১৮ এপ্রিল) দেশটির সিয়ালকোট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের আটক করা হয়। পাক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

এফআইএর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শাহ নওয়াজ, শাহজিয়া, সোনিয়া ও ফারজানা বিবি। তারা সবাই পাকিস্তানের ইসলামাবাদের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ওমান হয়ে সৌদি আরব থেকে সিয়ালকোটে পৌঁছালে তাদের সন্দেহজনক ভ্রমণ ইতিহাসের কারণে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আটক হওয়া ব্যক্তিরা সবাই সৌদি আরবে সংঘবদ্ধভাবে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা মোহাম্মদ সিদ্দিক আকবর নামে সৌদি আরব প্রবাসী এক দালালের মাধ্যমে ভিসা ও টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতিজনের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার রুপি করে ওই দালালকে দেয়া হয়, যা ভিক্ষা করে অর্জিত অর্থ থেকেই পরিশোধ করা হয়েছিল।

এফআইএর গুজরানওয়ালা জোনের পরিচালক মুহাম্মদ বিন আশরাফ জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওমরাহ ভিসায় সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। এই চক্রের মূল হোতাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সৌদি আরবের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তিনি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সবরকমের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।