ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেড় মাস বয়সী সন্তানসহ সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারামুক্ত 

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাজধানীর তেজগাঁও থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি তার দেড় মাস বয়সী সন্তানসহ মুক্তি পান। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি কারামুক্ত হন। আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসেন মোহাম্মদ জোনাঈদ আসামি পক্ষের শুনানি নিয়ে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে সন্ধ্যায় এ মামলায় জামিন চেয়ে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। আজ সকালে তার পক্ষে জামিননামা দাখিল করা হয়।  এর আগে গতকাল ২০ এপ্রিল রাতে শিল্পী বেগমকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুল। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী তাদের আক্রমণ করেন।

পরবর্তী সময়ে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মামলার এজাহারনামীয় আসামিরাসহ আরও অজ্ঞাতপরিচয় ১২০১৩০ জন আসামি দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং পিস্তল, বোমা নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা চালান। এতে আসবাব ও ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। তিন লাখ টাকা মূল্যের বাসার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আসামি শিল্পী ও অন্য আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে ওই শিক্ষার্থীর বাবা সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত আসনে এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

দেড় মাস বয়সী সন্তানসহ সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারামুক্ত 

আপডেট সময় ০২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

এবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাজধানীর তেজগাঁও থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি তার দেড় মাস বয়সী সন্তানসহ মুক্তি পান। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি কারামুক্ত হন। আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসেন মোহাম্মদ জোনাঈদ আসামি পক্ষের শুনানি নিয়ে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে সন্ধ্যায় এ মামলায় জামিন চেয়ে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। আজ সকালে তার পক্ষে জামিননামা দাখিল করা হয়।  এর আগে গতকাল ২০ এপ্রিল রাতে শিল্পী বেগমকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুল। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী তাদের আক্রমণ করেন।

পরবর্তী সময়ে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মামলার এজাহারনামীয় আসামিরাসহ আরও অজ্ঞাতপরিচয় ১২০১৩০ জন আসামি দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং পিস্তল, বোমা নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা চালান। এতে আসবাব ও ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। তিন লাখ টাকা মূল্যের বাসার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আসামি শিল্পী ও অন্য আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে ওই শিক্ষার্থীর বাবা সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।