ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তালা ভাঙলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না, এই মেয়েদের কেউ বোঝান: এমপি মানসুরা

তালা ভাঙলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য মানসুরা আলম। তিনি বলেন, জুলাই একবারই এসেছিল, তখন হলের তালা ভাঙা ছিল দীর্ঘদিনের এক নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। নিজের ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মানসুরা আলম। তিনি বলেন, জুলাই একবারই এসেছিল।

মেয়েদের হলের তালা ভেঙে আসা বাঁধভাঙা জোয়ারকে সাপোর্ট দিয়েছিল সারা দেশের মানুষ। কারণ সেটি ছিল দীর্ঘদিনের এক নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। মানসুরা আলম বলেন, এরপর যতবার তালা ভেঙে বের হয়েছে, ততবারই হয়েছে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সার্ভ করতে। ব্যাপারটা এখন হাস্যকর পর্যায়ে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তালা ভেঙে বের হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না, তা এই মেয়েদের কেউ বোঝান। দুই দিন পরেই উপলব্ধি করবে যে তাদের ব্যবহার করা হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই এখন সে উপলব্ধিটা করে। রাজনীতিতে মেয়েদের কেন অংশগ্রহণ নেই, কেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী নমিনেশন পান না, সেই মাইন্ডসেট জানতে এই তালাভাঙা পার্টিকে দেখতে হবে বলে মন্তব্য মানসুরার।

তিনি বলেন, তারা কী চায় নিজেও জানে না, কিন্তু আরেকজন কেন এম্পাওয়ার্ড হবে, সেটা আটকাতে হবে। আর বরাবরের মতোই যে গোষ্ঠীটা মেয়েদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকুচিত করতে চায়, সেসব সংস্থারও টার্গেট হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজ ৯ বছরের সিফাত

তালা ভাঙলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না, এই মেয়েদের কেউ বোঝান: এমপি মানসুরা

আপডেট সময় ০২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

তালা ভাঙলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য মানসুরা আলম। তিনি বলেন, জুলাই একবারই এসেছিল, তখন হলের তালা ভাঙা ছিল দীর্ঘদিনের এক নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। নিজের ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মানসুরা আলম। তিনি বলেন, জুলাই একবারই এসেছিল।

মেয়েদের হলের তালা ভেঙে আসা বাঁধভাঙা জোয়ারকে সাপোর্ট দিয়েছিল সারা দেশের মানুষ। কারণ সেটি ছিল দীর্ঘদিনের এক নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। মানসুরা আলম বলেন, এরপর যতবার তালা ভেঙে বের হয়েছে, ততবারই হয়েছে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সার্ভ করতে। ব্যাপারটা এখন হাস্যকর পর্যায়ে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তালা ভেঙে বের হলেই বিপ্লবী হওয়া যায় না, তা এই মেয়েদের কেউ বোঝান। দুই দিন পরেই উপলব্ধি করবে যে তাদের ব্যবহার করা হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই এখন সে উপলব্ধিটা করে। রাজনীতিতে মেয়েদের কেন অংশগ্রহণ নেই, কেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী নমিনেশন পান না, সেই মাইন্ডসেট জানতে এই তালাভাঙা পার্টিকে দেখতে হবে বলে মন্তব্য মানসুরার।

তিনি বলেন, তারা কী চায় নিজেও জানে না, কিন্তু আরেকজন কেন এম্পাওয়ার্ড হবে, সেটা আটকাতে হবে। আর বরাবরের মতোই যে গোষ্ঠীটা মেয়েদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকুচিত করতে চায়, সেসব সংস্থারও টার্গেট হবে।