ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপিকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার পর ডান হাত কেটে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:১৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ৫৩২ বার পড়া হয়েছে

এবার বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জে মিন্টু শেখ ওরফে মিঠু শেখ (৪৫) নামে বিএনপিকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় হোগলাপাশা ইউনিয়নের বৌলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার পর দুর্বৃত্তরা মিঠুর ডান হাত কেটে নিয়ে গেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোরেলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান।

মিঠু শেখ উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নের বৌলপুর গ্রামের ওহেদ শেখের ছেলে। থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বিকেলে বাড়ির কাছে কলাক্ষেতে কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন মিঠু। ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিঠু মারা যান। নিহত মিঠুর স্ত্রী, ২ ছেলে ৩ মেয়ে আছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ইয়াদ বলেন, মিঠু হোগলাপাশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ছিল। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। বিগত কয়েক বছর আগে মিঠুর চাচাতো ভাই মাস্টার গোলাম রসুলকেও হত্যা করা হয়।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানান, মিঠু শেখের হত্যাকারীদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলেও জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

বিএনপিকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার পর ডান হাত কেটে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ১০:১৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

এবার বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জে মিন্টু শেখ ওরফে মিঠু শেখ (৪৫) নামে বিএনপিকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় হোগলাপাশা ইউনিয়নের বৌলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার পর দুর্বৃত্তরা মিঠুর ডান হাত কেটে নিয়ে গেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোরেলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান।

মিঠু শেখ উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নের বৌলপুর গ্রামের ওহেদ শেখের ছেলে। থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বিকেলে বাড়ির কাছে কলাক্ষেতে কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন মিঠু। ওই সময় দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিঠু মারা যান। নিহত মিঠুর স্ত্রী, ২ ছেলে ৩ মেয়ে আছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ইয়াদ বলেন, মিঠু হোগলাপাশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ছিল। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। বিগত কয়েক বছর আগে মিঠুর চাচাতো ভাই মাস্টার গোলাম রসুলকেও হত্যা করা হয়।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানান, মিঠু শেখের হত্যাকারীদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলেও জানান তিনি।