ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত কেড়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পুরো মজুত যেকোনো উপায়ে জব্দ ও ধ্বংস করার ব্যাপারে আবারও নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, তেহরান এই পারমাণবিক উপাদান হস্তান্তর করবে না।  বৃহস্পতিবার (২১ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখতে দেওয়া যাবে না। ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত আমরা কেড়ে নেব এবং ধ্বংস করব।

ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘দেখুন, আমরা নিশ্চিত করতে যাচ্ছি যেন ওদের (ইরান) কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে। অন্যথায় আমাদের অত্যন্ত কঠোর ও চরম কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, যখন এই বিষয়টি আমাদের দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে, তখন আমেরিকার প্রতিটি নাগরিক একমত হবেন যে আমরা কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দিতে পারি না।

এ সময় এক সাংবাদিক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চান, শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান কি তাদের এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের দেশে রেখে দেওয়ার কোনো সুযোগ পাবে? জবাবে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, ‘না, কোনো সুযোগ নেই। আমরা ওটা কেড়ে নেব। তবে আমাদের ওটার কোনো প্রয়োজন নেই, আমরা ওটা চাইও না। ওটা পাওয়ার পর সম্ভবত আমরা তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেব। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই ওটা আমরা ওদের কাছে রাখতে দেব না।

এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইউরেনিয়াম নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। নির্দেশনায় তিনি বলেছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। তবে রয়টার্সের এই দাবিকে সম্পূর্ণভিত্তিহীন ও অপপ্রচারবলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। রয়টার্সের প্রতিবেদনের বিষয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে ইরানের একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, এটি মূলত শান্তি চুক্তির বিরোধিতাকারী ও শত্রুপক্ষের একটি পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা জানান, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিষয়ে তেহরানের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। ইরান তাদের নিজেদের পরমাণু কেন্দ্রে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সরাসরি নজরদারিতে এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে লঘু বাডাউনব্লেন্ডকরে বেসামরিক কাজের উপযোগী করবে, যাতে তা দিয়ে আর কোনোভাবেই অস্ত্র তৈরি করা না যায়। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউরেনিয়াম বাইরে পাঠানো নয়, বরং ইরানের মাটিতে এটি ডাউনব্লেন্ড করার বিষয়টিই মূলত শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত কেড়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৯:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

এবার ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের পুরো মজুত যেকোনো উপায়ে জব্দ ও ধ্বংস করার ব্যাপারে আবারও নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, তেহরান এই পারমাণবিক উপাদান হস্তান্তর করবে না।  বৃহস্পতিবার (২১ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাখতে দেওয়া যাবে না। ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত আমরা কেড়ে নেব এবং ধ্বংস করব।

ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘দেখুন, আমরা নিশ্চিত করতে যাচ্ছি যেন ওদের (ইরান) কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে। অন্যথায় আমাদের অত্যন্ত কঠোর ও চরম কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, যখন এই বিষয়টি আমাদের দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে, তখন আমেরিকার প্রতিটি নাগরিক একমত হবেন যে আমরা কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দিতে পারি না।

এ সময় এক সাংবাদিক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চান, শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান কি তাদের এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের দেশে রেখে দেওয়ার কোনো সুযোগ পাবে? জবাবে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, ‘না, কোনো সুযোগ নেই। আমরা ওটা কেড়ে নেব। তবে আমাদের ওটার কোনো প্রয়োজন নেই, আমরা ওটা চাইও না। ওটা পাওয়ার পর সম্ভবত আমরা তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেব। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই ওটা আমরা ওদের কাছে রাখতে দেব না।

এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইউরেনিয়াম নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। নির্দেশনায় তিনি বলেছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। তবে রয়টার্সের এই দাবিকে সম্পূর্ণভিত্তিহীন ও অপপ্রচারবলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। রয়টার্সের প্রতিবেদনের বিষয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে ইরানের একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, এটি মূলত শান্তি চুক্তির বিরোধিতাকারী ও শত্রুপক্ষের একটি পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা জানান, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিষয়ে তেহরানের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। ইরান তাদের নিজেদের পরমাণু কেন্দ্রে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সরাসরি নজরদারিতে এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে লঘু বাডাউনব্লেন্ডকরে বেসামরিক কাজের উপযোগী করবে, যাতে তা দিয়ে আর কোনোভাবেই অস্ত্র তৈরি করা না যায়। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউরেনিয়াম বাইরে পাঠানো নয়, বরং ইরানের মাটিতে এটি ডাউনব্লেন্ড করার বিষয়টিই মূলত শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়।