ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, ঝরল ৩ বাংলাদেশির প্রাণ

এবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে ভয়াবহ স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২এর মধ্যবর্তী এলাকায়, সীমান্ত থেকে কিছুটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণের বিকট শব্দের পর সীমান্ত এলাকায় তিনজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। নিহতরা হলেনলেয়ারা (৪১), অংকেমং (৫০), এবং চিংকা অং (৪০) তাদের সবার বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া গ্রামে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, নিহতরা সকালে সীমান্ত সংলগ্ন একটি কলাবাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে আগে থেকে পুঁতে রাখা স্থলমাইনের বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। তবে কীভাবে ওই এলাকায় স্থলমাইন পোঁতা হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অজ্ঞাত বিস্ফোরক ও মাইন থাকার গুঞ্জন রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে সীমান্তঘেঁষা পাহাড়ি এলাকা ও কৃষিজমিতে চলাচল নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, ঝরল ৩ বাংলাদেশির প্রাণ

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, ঝরল ৩ বাংলাদেশির প্রাণ

আপডেট সময় ০৬:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

এবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে ভয়াবহ স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২এর মধ্যবর্তী এলাকায়, সীমান্ত থেকে কিছুটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণের বিকট শব্দের পর সীমান্ত এলাকায় তিনজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। নিহতরা হলেনলেয়ারা (৪১), অংকেমং (৫০), এবং চিংকা অং (৪০) তাদের সবার বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া গ্রামে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, নিহতরা সকালে সীমান্ত সংলগ্ন একটি কলাবাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে আগে থেকে পুঁতে রাখা স্থলমাইনের বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। তবে কীভাবে ওই এলাকায় স্থলমাইন পোঁতা হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অজ্ঞাত বিস্ফোরক ও মাইন থাকার গুঞ্জন রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে সীমান্তঘেঁষা পাহাড়ি এলাকা ও কৃষিজমিতে চলাচল নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।