ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্তর্বর্তী সরকার চারটি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছে: ফজলুর রহমান

এবার বিএনপির সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার চারটি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। যাদের বয়স ৩০ হয়নি তারা উপদেষ্টা হয়ে দেশবিদেশে শত শত কোটি টাকা পাচার করেছে।সোমবার (১ জুন) সকালে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি আমাদের নতুন জেনারেশন নষ্ট হয়ে গেছে। এ দেশে অনেক চক্রান্ত করে গুপ্ত সংগঠন সৃষ্টি করে একটা রাজনৈতিক দল। তাদের লেখাপড়া নাই, খেলাধুলা নাই, সংগীতসংস্কৃতি নাই, এমনকি রিয়েল ধর্ম পালনও নাই।

বিএনপির এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘তারা শুধু কিভাবে ষড়যন্ত্রচক্রান্ত করে ছাত্রসমাজকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে মিছিলে নিয়ে যাবেন। তাদের জীবনকে ধ্বংস করে নিজেদের আখের ঘোচাতে পারবেন, সে চক্রান্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দুজন লোক যাদের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। কুমিল্লার ডিসিকে গিয়ে বলেছেন ১৫ কোটি টাকা দাও। রাজস্ব ভাণ্ডারের টাকা না দিয়া উপায় নাই। আরেকজনের নাম হাসনাত আব্দুল্লাহ। উনি এখন এমপি। তিনি গিয়ে ডিসিকে বলছেন আমারে ১০ কোটি টাকা দিয়ে দাও। এরা অমানুষ, চিটারবাটপাড়। এদের মতো মানুষ ধ্বংস করার কোনো মেশিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয় নাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

অন্তর্বর্তী সরকার চারটি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছে: ফজলুর রহমান

আপডেট সময় ০১:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

এবার বিএনপির সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার চারটি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। যাদের বয়স ৩০ হয়নি তারা উপদেষ্টা হয়ে দেশবিদেশে শত শত কোটি টাকা পাচার করেছে।সোমবার (১ জুন) সকালে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি আমাদের নতুন জেনারেশন নষ্ট হয়ে গেছে। এ দেশে অনেক চক্রান্ত করে গুপ্ত সংগঠন সৃষ্টি করে একটা রাজনৈতিক দল। তাদের লেখাপড়া নাই, খেলাধুলা নাই, সংগীতসংস্কৃতি নাই, এমনকি রিয়েল ধর্ম পালনও নাই।

বিএনপির এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘তারা শুধু কিভাবে ষড়যন্ত্রচক্রান্ত করে ছাত্রসমাজকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে মিছিলে নিয়ে যাবেন। তাদের জীবনকে ধ্বংস করে নিজেদের আখের ঘোচাতে পারবেন, সে চক্রান্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দুজন লোক যাদের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। কুমিল্লার ডিসিকে গিয়ে বলেছেন ১৫ কোটি টাকা দাও। রাজস্ব ভাণ্ডারের টাকা না দিয়া উপায় নাই। আরেকজনের নাম হাসনাত আব্দুল্লাহ। উনি এখন এমপি। তিনি গিয়ে ডিসিকে বলছেন আমারে ১০ কোটি টাকা দিয়ে দাও। এরা অমানুষ, চিটারবাটপাড়। এদের মতো মানুষ ধ্বংস করার কোনো মেশিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয় নাই।