ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে ড্রোন কারখানা করতে চায় তুরস্ক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ৫৬৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার অংশ হিসেবে তুরস্ক বাংলাদেশে একটি যৌথ ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle) বা ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, তুরস্কের বহুল আলোচিত Bayraktar TB2Akıncı ধরনের ড্রোনের সহ-উৎপাদন বাংলাদেশে হতে পারে।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-তুরস্ক পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক এবং পরবর্তী প্রতিরক্ষা আলোচনা ঘিরে এ প্রস্তাব সামনে আসে। একই সঙ্গে তুরস্ক বাংলাদেশকে উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক বিমান ক্রয়ের প্রস্তাবও দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে ড্রোন কারখানা স্থাপিত হলে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি হস্তান্তর (Technology Transfer), দক্ষ জনবল তৈরি এবং দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে। এটি ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর আওতায় সামরিক আধুনিকায়নের লক্ষ্য পূরণেও সহায়ক হতে পারে।

তবে বিষয়টি এখনও প্রস্তাব ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে বলে প্রকাশ্যে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি পৃথক প্রযুক্তি হস্তান্তরভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যেই তুরস্কের নতুন প্রস্তাব দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

বাংলাদেশে ড্রোন কারখানা করতে চায় তুরস্ক

আপডেট সময় ১২:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার অংশ হিসেবে তুরস্ক বাংলাদেশে একটি যৌথ ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle) বা ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, তুরস্কের বহুল আলোচিত Bayraktar TB2Akıncı ধরনের ড্রোনের সহ-উৎপাদন বাংলাদেশে হতে পারে।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-তুরস্ক পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক এবং পরবর্তী প্রতিরক্ষা আলোচনা ঘিরে এ প্রস্তাব সামনে আসে। একই সঙ্গে তুরস্ক বাংলাদেশকে উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক বিমান ক্রয়ের প্রস্তাবও দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে ড্রোন কারখানা স্থাপিত হলে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি হস্তান্তর (Technology Transfer), দক্ষ জনবল তৈরি এবং দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে। এটি ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর আওতায় সামরিক আধুনিকায়নের লক্ষ্য পূরণেও সহায়ক হতে পারে।

তবে বিষয়টি এখনও প্রস্তাব ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে বলে প্রকাশ্যে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি পৃথক প্রযুক্তি হস্তান্তরভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যেই তুরস্কের নতুন প্রস্তাব দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।