ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত বাংলাদেশের ৬ বীর সেনা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিহতদের পদক জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে তুলে দেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সাহস, আত্মত্যাগ ও দায়িত্বনিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদক দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন করপোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।

অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিহত প্রায় ৪ হাজার ৫০০ শান্তিরক্ষীর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথাও উল্লেখ করেন মহাসচিব। চলতি বছর ৩৩টি সদস্য দেশের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী নিহতদের স্মরণে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।

দাগ হ্যামারশোল্ড পদক ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ প্রবর্তন করে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এ মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত বাংলাদেশের ৬ বীর সেনা

আপডেট সময় ১০:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

এবার সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিহতদের পদক জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে তুলে দেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সাহস, আত্মত্যাগ ও দায়িত্বনিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদক দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন করপোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।

অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিহত প্রায় ৪ হাজার ৫০০ শান্তিরক্ষীর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথাও উল্লেখ করেন মহাসচিব। চলতি বছর ৩৩টি সদস্য দেশের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর দাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী নিহতদের স্মরণে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।

দাগ হ্যামারশোল্ড পদক ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ প্রবর্তন করে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এ মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।