ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ওরা ৩০০ মূর্তি বানাক, আমি মুসলমান; তাতে আমার কিছু আসে-যায় না- ফজলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণ নিয়ে অযথা বিতর্কের কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় চাইলে আরও মন্দির বা মূর্তি নির্মাণ করতে পারে, এতে একজন মুসলমান হিসেবে তার কোনো আপত্তি নেই।

বৃহস্পতিবার (তারিখ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি মনে করেন মন্দির ওখানে করা ঠিক না বা রাম মূর্তি করা ঠিক না, বন্ধ করে দেন। কিন্তু আমি মনে করি ওরা ১০০ না ৩০০ মূর্তি বানাক, আমি মুসলমান তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। আমি তো ওটার দিকে তাকাই না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি প্রয়োজনে ২৫ তলা মসজিদ করব। অসুবিধা কী? ও ওর মন্দিরে পূজা করবে, আমি আমার মসজিদে নামাজ পড়ব। অসুবিধা কী? একসঙ্গে কি আমরা থাকব না?”

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে ধর্মীয় সহাবস্থান ও পারস্পরিক সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএনপির এই সংসদ সদস্য। তিনি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে মত প্রকাশ করেন এবং প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতার কথা তুলে ধরেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

‘ওরা ৩০০ মূর্তি বানাক, আমি মুসলমান; তাতে আমার কিছু আসে-যায় না- ফজলুর রহমান

আপডেট সময় ১১:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণ নিয়ে অযথা বিতর্কের কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় চাইলে আরও মন্দির বা মূর্তি নির্মাণ করতে পারে, এতে একজন মুসলমান হিসেবে তার কোনো আপত্তি নেই।

বৃহস্পতিবার (তারিখ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি মনে করেন মন্দির ওখানে করা ঠিক না বা রাম মূর্তি করা ঠিক না, বন্ধ করে দেন। কিন্তু আমি মনে করি ওরা ১০০ না ৩০০ মূর্তি বানাক, আমি মুসলমান তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। আমি তো ওটার দিকে তাকাই না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি প্রয়োজনে ২৫ তলা মসজিদ করব। অসুবিধা কী? ও ওর মন্দিরে পূজা করবে, আমি আমার মসজিদে নামাজ পড়ব। অসুবিধা কী? একসঙ্গে কি আমরা থাকব না?”

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে ধর্মীয় সহাবস্থান ও পারস্পরিক সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএনপির এই সংসদ সদস্য। তিনি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে মত প্রকাশ করেন এবং প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতার কথা তুলে ধরেন।