ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘এক-এগারোর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে’ পোস্ট করে বিতর্কে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, পরে ডিলিট

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭৯৯ বার পড়া হয়েছে

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে!” পোস্টটি কিছুক্ষণ পর এডিট করে তিনি যুক্ত করেন, “তবে, জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।”

এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন তৈরি হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি মনে করি মাহফুজ আলম হয়তো ঘণ্টাখানেক পরে পোস্টটি ডিলিট করে দেবেন। এ বিষয়ে আর কোনো বক্তব্য নেই।” বাস্তবেই, এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই পোস্টটি সরিয়ে নেন মাহফুজ আলম।

তবে পোস্ট ডিলিট করার আগে তিনি মন্তব্যের ঘরে স্পষ্ট করেন, কেন এমন মন্তব্য করেছিলেন। মাহফুজ আলম বলেন, “জুলাইয়ের শক্তিগুলোর ঐক্য নেই এবং এই ঐক্য ধরে না রাখার ক্ষেত্রে আমাদের দায় যতটা, তার চেয়েও বেশি দায়ী পুরাতন ১/১১ শক্তিগুলোর অন্তর্ঘাত।”

তিনি লিখেছেন, “আত্মতুষ্টির সুযোগে পুরনো ১/১১ পন্থীরা বিভাজন বাড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগকে স্বাভাবিক করে দেখানো এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতাকে ভিলিফাই করা মূলধারায় পরিণত হচ্ছে। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পুরনো গঠনতন্ত্র ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় চলছে—যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পথ সহজ হবে।”

মাহফুজ আলম আরও বলেন, “ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে আস্থাহীনতা এবং বিরাজনীতিকরণের পুরোনো কৌশল আবার মাথাচাড়া দিচ্ছে। জনগণের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে একটি স্যাভিওর ক্রাইসিস তৈরির চেষ্টাও চলছে।”

তাঁর ভাষায়, “জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানকে একটি সাধারণ ইভেন্টে পরিণত করার চেষ্টা চলছে, যাতে ছাত্রদের মধ্যে হীনম্মন্যতা ঢুকে পড়ে এবং জুলাইয়ের শক্তিকে অযোগ্য, অরাজক ও ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়া হয়।”

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরব যুদ্ধে জড়ালে ব্যবহার হবে পাকিস্তানের পরমাণু!

‘এক-এগারোর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে’ পোস্ট করে বিতর্কে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, পরে ডিলিট

আপডেট সময় ১১:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে!” পোস্টটি কিছুক্ষণ পর এডিট করে তিনি যুক্ত করেন, “তবে, জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।”

এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন তৈরি হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি মনে করি মাহফুজ আলম হয়তো ঘণ্টাখানেক পরে পোস্টটি ডিলিট করে দেবেন। এ বিষয়ে আর কোনো বক্তব্য নেই।” বাস্তবেই, এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই পোস্টটি সরিয়ে নেন মাহফুজ আলম।

তবে পোস্ট ডিলিট করার আগে তিনি মন্তব্যের ঘরে স্পষ্ট করেন, কেন এমন মন্তব্য করেছিলেন। মাহফুজ আলম বলেন, “জুলাইয়ের শক্তিগুলোর ঐক্য নেই এবং এই ঐক্য ধরে না রাখার ক্ষেত্রে আমাদের দায় যতটা, তার চেয়েও বেশি দায়ী পুরাতন ১/১১ শক্তিগুলোর অন্তর্ঘাত।”

তিনি লিখেছেন, “আত্মতুষ্টির সুযোগে পুরনো ১/১১ পন্থীরা বিভাজন বাড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগকে স্বাভাবিক করে দেখানো এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতাকে ভিলিফাই করা মূলধারায় পরিণত হচ্ছে। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পুরনো গঠনতন্ত্র ফিরিয়ে আনার তোড়জোড় চলছে—যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পথ সহজ হবে।”

মাহফুজ আলম আরও বলেন, “ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে আস্থাহীনতা এবং বিরাজনীতিকরণের পুরোনো কৌশল আবার মাথাচাড়া দিচ্ছে। জনগণের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে একটি স্যাভিওর ক্রাইসিস তৈরির চেষ্টাও চলছে।”

তাঁর ভাষায়, “জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানকে একটি সাধারণ ইভেন্টে পরিণত করার চেষ্টা চলছে, যাতে ছাত্রদের মধ্যে হীনম্মন্যতা ঢুকে পড়ে এবং জুলাইয়ের শক্তিকে অযোগ্য, অরাজক ও ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়া হয়।”