ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তরুণদের হেয় করার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার আহ্বান এনসিপি নেতাদের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে

তরুণদের ছোট করে দেখা ও হেয় করার মানসিকতা থেকে সমাজকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতারা। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় যুবশক্তি আয়োজিত যুব সম্মেলনে তারা এ আহ্বান জানান।

সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, “নারী রাজনীতিবিদরা এখনো সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন। এই নেতিবাচক অবস্থা কাটিয়ে উঠতে তরুণদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।”

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসঊদ বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া। সেই মুক্তির জন্য তরুণরা অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে লড়েছে, রক্ত ঝরিয়েছে। যারা বলেন আমরা ‘বাচ্চা ছেলে’, আমাদের দিয়ে দেশ চলবে না—তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, চব্বিশের সেই আন্দোলনে আমরাই বুক পেতে রক্ত দিয়েছিলাম।”

এ সময় বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করেন, “আওয়ামী লীগ প্রশ্নে অভ্যুত্থানপন্থী শক্তিকে বিভক্ত করার রাজনীতি চলছে। দিল্লির প্রেসক্রিপশনে অভ্যুত্থানের নায়কদের খলনায়ক বানানোর চেষ্টা হচ্ছে।”

সম্মেলনে বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে দেশের অগ্রগতি ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কে হতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী? জরিপে উঠে এল যে চমকপ্রদ তথ্য

তরুণদের হেয় করার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার আহ্বান এনসিপি নেতাদের

আপডেট সময় ০৮:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

তরুণদের ছোট করে দেখা ও হেয় করার মানসিকতা থেকে সমাজকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতারা। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় যুবশক্তি আয়োজিত যুব সম্মেলনে তারা এ আহ্বান জানান।

সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, “নারী রাজনীতিবিদরা এখনো সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন। এই নেতিবাচক অবস্থা কাটিয়ে উঠতে তরুণদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।”

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসঊদ বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া। সেই মুক্তির জন্য তরুণরা অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে লড়েছে, রক্ত ঝরিয়েছে। যারা বলেন আমরা ‘বাচ্চা ছেলে’, আমাদের দিয়ে দেশ চলবে না—তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, চব্বিশের সেই আন্দোলনে আমরাই বুক পেতে রক্ত দিয়েছিলাম।”

এ সময় বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অভিযোগ করেন, “আওয়ামী লীগ প্রশ্নে অভ্যুত্থানপন্থী শক্তিকে বিভক্ত করার রাজনীতি চলছে। দিল্লির প্রেসক্রিপশনে অভ্যুত্থানের নায়কদের খলনায়ক বানানোর চেষ্টা হচ্ছে।”

সম্মেলনে বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে দেশের অগ্রগতি ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।