ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অন্যদের জীবন বাঁচিয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষক জহুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের বিষ্ণোই গ্রামে আকস্মিক বন্যার কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন স্থানীয় এক শিক্ষক জহুর রহমান। তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে কয়েকজনকে বাঁচালেও শেষ পর্যন্ত নিজেকে আর রক্ষা করতে পারেননি।

গত শুক্রবার হঠাৎ বন্যার পানি গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় মোহাম্মদ ইজাজসহ কয়েকজন ভাগ্যবান ব্যক্তি প্রাণে বেঁচে যান কেবল জহুর রহমানের ত্যাগের কারণে। কিন্তু প্রবল স্রোতের পানিতে ভেসে যায় এই শিক্ষক। পরে বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গ্রামের একটি স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি জহুর রহমান ‘আল-খিদমত’ নামের একটি জনকল্যাণমূলক সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করতেন। ঘটনার দিনও তিনি প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই ধেয়ে আসে পাহাড়ি ঢলের মতো আকস্মিক বন্যা। প্রবল স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসে পাথর ও ধ্বংসাবশেষ, মুহূর্তেই এলাকা তছনছ হয়ে যায়।

জহুর রহমানের এই আত্মত্যাগে গ্রামবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা তাকে ‘নিঃস্বার্থ প্রাণরক্ষক’ হিসেবে স্মরণ করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

অন্যদের জীবন বাঁচিয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষক জহুর রহমান

আপডেট সময় ১২:৩১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

পাকিস্তানের বিষ্ণোই গ্রামে আকস্মিক বন্যার কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন স্থানীয় এক শিক্ষক জহুর রহমান। তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে কয়েকজনকে বাঁচালেও শেষ পর্যন্ত নিজেকে আর রক্ষা করতে পারেননি।

গত শুক্রবার হঠাৎ বন্যার পানি গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় মোহাম্মদ ইজাজসহ কয়েকজন ভাগ্যবান ব্যক্তি প্রাণে বেঁচে যান কেবল জহুর রহমানের ত্যাগের কারণে। কিন্তু প্রবল স্রোতের পানিতে ভেসে যায় এই শিক্ষক। পরে বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গ্রামের একটি স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি জহুর রহমান ‘আল-খিদমত’ নামের একটি জনকল্যাণমূলক সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেও কাজ করতেন। ঘটনার দিনও তিনি প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই ধেয়ে আসে পাহাড়ি ঢলের মতো আকস্মিক বন্যা। প্রবল স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসে পাথর ও ধ্বংসাবশেষ, মুহূর্তেই এলাকা তছনছ হয়ে যায়।

জহুর রহমানের এই আত্মত্যাগে গ্রামবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা তাকে ‘নিঃস্বার্থ প্রাণরক্ষক’ হিসেবে স্মরণ করছেন।