ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কিন হুমকি মোকাবেলায় ভেনেজুয়েলার উপকূলে নৌবহর মোতায়েন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৩২ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন চাপ ও হুমকি মোকাবেলায় উপকূলে নৌবহর মোতায়েন করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার। সেই বহরে যুদ্ধজাহাজ, ড্রোনসহ একাধিক নৌযান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিয়ানো এক ভিডিওবার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বুধবার (২৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ক্যারিবীয় উপকূলে ড্রোন মোতায়েন বাড়ানোর পাশাপাশি সমুদ্রে নৌটহল জোরদার করবে ভেনেজুয়েলা। উত্তর জলসীমায়ও অবস্থান নেবে নৌবাহিনীর যুদ্ধযান।

এর আগে দেশটি কলম্বিয়া সীমান্তে নতুন করে ১৫ হাজার সামরিক সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ও পেন্টাগনের সাড়ে চার হাজার সেনা সদস্যসহ নৌবহর মোতায়েনের পাল্টা উদ্যোগ হিসেবেই ভেনেজুয়েলার এই পদক্ষেপ। ওয়াশিংটনের মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নেওয়া ব্যবস্থাকে ‘প্রত্যক্ষ হুমকি’ হিসেবে দেখছে কারাকাস।

ভেনেজুয়েলার এই পদক্ষেপে ক্যারিবীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

মার্কিন হুমকি মোকাবেলায় ভেনেজুয়েলার উপকূলে নৌবহর মোতায়েন

আপডেট সময় ১২:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

মার্কিন চাপ ও হুমকি মোকাবেলায় উপকূলে নৌবহর মোতায়েন করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার। সেই বহরে যুদ্ধজাহাজ, ড্রোনসহ একাধিক নৌযান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিয়ানো এক ভিডিওবার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বুধবার (২৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ক্যারিবীয় উপকূলে ড্রোন মোতায়েন বাড়ানোর পাশাপাশি সমুদ্রে নৌটহল জোরদার করবে ভেনেজুয়েলা। উত্তর জলসীমায়ও অবস্থান নেবে নৌবাহিনীর যুদ্ধযান।

এর আগে দেশটি কলম্বিয়া সীমান্তে নতুন করে ১৫ হাজার সামরিক সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ও পেন্টাগনের সাড়ে চার হাজার সেনা সদস্যসহ নৌবহর মোতায়েনের পাল্টা উদ্যোগ হিসেবেই ভেনেজুয়েলার এই পদক্ষেপ। ওয়াশিংটনের মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নেওয়া ব্যবস্থাকে ‘প্রত্যক্ষ হুমকি’ হিসেবে দেখছে কারাকাস।

ভেনেজুয়েলার এই পদক্ষেপে ক্যারিবীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে।