ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান সহ্য করবে না সেনাবাহিনী: মব দমনে জিরো টলারেন্স

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৯ বার পড়া হয়েছে

সারাদেশে মবের সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সোমবার সেনা সদর দফতরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানান— মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান বা অপদস্থ করার কোনো সুযোগ নেই, এমনটি ঘটলে সেনাবাহিনী কঠোরভাবে দমন করবে।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর বাসায় হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কারণেই এই দেশের জন্ম। তাঁদের প্রতি সেনাবাহিনী সব সময়ই শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখিয়েছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করে দেন, কোনো মব মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার সুযোগ পাবে না।

কর্নেল শফিকুল জানান, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে মব সৃষ্টি হলে সেনা ইউনিট দ্রুত পৌঁছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি বলেন, “মবের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোথাও মব হলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ইউনিট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।” বিলম্বের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, কখনো কখনো সোর্স থেকে তথ্য পেতে দেরি হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়, তবে সেনাবাহিনী মাঠে নামলেই স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

গত এক মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে জানানো হয়, গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া অস্ত্রের প্রায় ৮০ ভাগ ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা শুধু সেনাবাহিনীর কাজ নয়, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীরও দায়িত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো শঙ্কা প্রসঙ্গে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, এই নির্বাচনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে সেনাবাহিনী বিশ্বাস করে, ডাকসু নির্বাচন গণতন্ত্র চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অবসরপ্রাপ্ত কিছু সেনা কর্মকর্তার সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এসব প্রোপাগান্ডা মানুষ বিশ্বাস করে না, সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী প্রস্তুত। সরকার থেকে বার্তা পেলেও এখনো নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে শিগগিরই সেই নির্দেশনা আসবে বলে আশা করছেন তিনি।

চলতি বছরের সর্বোচ্চ ফিতরা ২৮০৫ টাকা, সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান সহ্য করবে না সেনাবাহিনী: মব দমনে জিরো টলারেন্স

আপডেট সময় ০৯:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সারাদেশে মবের সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সোমবার সেনা সদর দফতরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানান— মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান বা অপদস্থ করার কোনো সুযোগ নেই, এমনটি ঘটলে সেনাবাহিনী কঠোরভাবে দমন করবে।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর বাসায় হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কারণেই এই দেশের জন্ম। তাঁদের প্রতি সেনাবাহিনী সব সময়ই শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখিয়েছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করে দেন, কোনো মব মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার সুযোগ পাবে না।

কর্নেল শফিকুল জানান, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে মব সৃষ্টি হলে সেনা ইউনিট দ্রুত পৌঁছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি বলেন, “মবের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোথাও মব হলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ইউনিট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।” বিলম্বের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, কখনো কখনো সোর্স থেকে তথ্য পেতে দেরি হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়, তবে সেনাবাহিনী মাঠে নামলেই স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

গত এক মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে জানানো হয়, গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া অস্ত্রের প্রায় ৮০ ভাগ ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা শুধু সেনাবাহিনীর কাজ নয়, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীরও দায়িত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো শঙ্কা প্রসঙ্গে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, এই নির্বাচনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে সেনাবাহিনী বিশ্বাস করে, ডাকসু নির্বাচন গণতন্ত্র চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অবসরপ্রাপ্ত কিছু সেনা কর্মকর্তার সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এসব প্রোপাগান্ডা মানুষ বিশ্বাস করে না, সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী প্রস্তুত। সরকার থেকে বার্তা পেলেও এখনো নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে শিগগিরই সেই নির্দেশনা আসবে বলে আশা করছেন তিনি।