ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জাকসু নির্বাচন

রবীন্দ্রনাথ হল থেকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা আটক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৩ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন চলাকালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের একটি কক্ষ থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান সোহানকে আটক করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে হলের একটি কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ছাত্রদল নেতা সোহান কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ ব্যাচের (২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। অবৈধভাবে হলে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ক্যাম্পাসে এসেছিলাম রাতে। শরীর খারাপ লাগায় এখানে হলে এসে শুয়ে পড়েছি। আবাসিক হলে অবস্থানের ক্ষেত্রে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, না আমি কোনো অনুমতি নিইনি। এদিকে, আটকের পর ছাত্রদলের ওই নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন চলাকালে আবাসিক হলে সাবেক শিক্ষার্থীদের অবস্থান করা আচরণবিধির লঙ্ঘন। তাই আমরা তাকে প্রক্টরিয়াল টিমের হাতে তুলে দিচ্ছি।  এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমরা তাকে আনতে সিকিউরিটি গার্ড পাঠিয়েছি। বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

জাকসু নির্বাচন

রবীন্দ্রনাথ হল থেকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা আটক

আপডেট সময় ০১:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন চলাকালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের একটি কক্ষ থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান সোহানকে আটক করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে হলের একটি কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ছাত্রদল নেতা সোহান কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ ব্যাচের (২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। অবৈধভাবে হলে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ক্যাম্পাসে এসেছিলাম রাতে। শরীর খারাপ লাগায় এখানে হলে এসে শুয়ে পড়েছি। আবাসিক হলে অবস্থানের ক্ষেত্রে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, না আমি কোনো অনুমতি নিইনি। এদিকে, আটকের পর ছাত্রদলের ওই নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন চলাকালে আবাসিক হলে সাবেক শিক্ষার্থীদের অবস্থান করা আচরণবিধির লঙ্ঘন। তাই আমরা তাকে প্রক্টরিয়াল টিমের হাতে তুলে দিচ্ছি।  এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমরা তাকে আনতে সিকিউরিটি গার্ড পাঠিয়েছি। বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।