ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন মুফতি আহমদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের অন্যতম প্রবীণ আলেম ও মুহাদ্দিস শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি আহমদুল্লাহ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। মরহুমের বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।জানাযার নামাজ রাত ৯টায় পটিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। মুফতি আহমদুল্লাহ তিন ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য শিষ্য, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। প্রবীণ আলেম দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি ব্রেইন স্ট্রোকের কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং কয়েকদিন আগে অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। মুফতি আহমদুল্লাহ ১৯৪১ সালের ১ মে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার নাইখাইন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকে তিনি পবিত্র কোরআন হেফজ করেন এবং জিরি মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন। পাকিস্তানের জামিয়া আশরাফিয়া লাহোর এবং মুলতানের খাইরুল মাদারিসে তিনি উচ্চতর ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশী বিখ্যাত আলেমদের সান্নিধ্য লাভ করেন।১৯৬৮ সালে দেশে ফিরে জিরি মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২৩ বছর অধ্যাপনা করেন। পরে তিনি পটিয়া মাদরাসায় সিনিয়র মুহাদ্দিস ও মুফতি হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালে তিনি শায়খুল হাদিস ও প্রধান মুফতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মুফতি আহমদুল্লাহর উল্লেখযোগ্য রচনাবলীর মধ্যে রয়েছে: দাফউল ইলতিবাস মাশায়েখে চাটগাম (দুই খণ্ড), আন-নাফহাতুল আহমাদিয়্যাহ ফিল খুতুবাতিল মিম্বারিয়্যাহ তাজকেরাতুন নুর, তাসকিনুল খাওয়াতির ফি শরহিল আশবাহি ওয়ান্নাওয়াযির, ইসলামের দৃষ্টিতে শেয়ারবাজার ও মাল্টিলেবেল মার্কেটিং যুগোপযোগী দশ মাসায়েলমাজহাব ও মাজহাবের প্রয়োজনীয়তা। মুহাদ্দিস ও আলেম হিসেবে তার অবদান বাংলাদেশের ইসলামী শিক্ষার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

মারা গেছেন মুফতি আহমদুল্লাহ

আপডেট সময় ০৮:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশের অন্যতম প্রবীণ আলেম ও মুহাদ্দিস শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি আহমদুল্লাহ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। মরহুমের বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।জানাযার নামাজ রাত ৯টায় পটিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। মুফতি আহমদুল্লাহ তিন ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য শিষ্য, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। প্রবীণ আলেম দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি ব্রেইন স্ট্রোকের কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং কয়েকদিন আগে অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। মুফতি আহমদুল্লাহ ১৯৪১ সালের ১ মে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার নাইখাইন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকে তিনি পবিত্র কোরআন হেফজ করেন এবং জিরি মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন। পাকিস্তানের জামিয়া আশরাফিয়া লাহোর এবং মুলতানের খাইরুল মাদারিসে তিনি উচ্চতর ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশী বিখ্যাত আলেমদের সান্নিধ্য লাভ করেন।১৯৬৮ সালে দেশে ফিরে জিরি মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২৩ বছর অধ্যাপনা করেন। পরে তিনি পটিয়া মাদরাসায় সিনিয়র মুহাদ্দিস ও মুফতি হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালে তিনি শায়খুল হাদিস ও প্রধান মুফতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মুফতি আহমদুল্লাহর উল্লেখযোগ্য রচনাবলীর মধ্যে রয়েছে: দাফউল ইলতিবাস মাশায়েখে চাটগাম (দুই খণ্ড), আন-নাফহাতুল আহমাদিয়্যাহ ফিল খুতুবাতিল মিম্বারিয়্যাহ তাজকেরাতুন নুর, তাসকিনুল খাওয়াতির ফি শরহিল আশবাহি ওয়ান্নাওয়াযির, ইসলামের দৃষ্টিতে শেয়ারবাজার ও মাল্টিলেবেল মার্কেটিং যুগোপযোগী দশ মাসায়েলমাজহাব ও মাজহাবের প্রয়োজনীয়তা। মুহাদ্দিস ও আলেম হিসেবে তার অবদান বাংলাদেশের ইসলামী শিক্ষার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।