ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক নারীকে স্ত্রী দাবি করে দুই পুরুষের হাতাহাতি, দু’জনই কারাগারে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৭ বার পড়া হয়েছে

যশোর শহরে এক নারীকে স্ত্রী দাবি করে হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন দুই পুরুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে হেফাজতে নেয় কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। পরে থানা চত্বরে আবার দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের চারখাম্বার মোড় ও কোতোয়ালি থানার সামনে প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তিনজনকে আটকের পর নারীকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেয়। আর ওই দুই পুরুষকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৫১ ধারায় (নিরাপদ হেফাজত) আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। বিচারক ওই নারীর স্বামী দাবি করা দুই পুরুষকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।শোর আদালতের পুলিশ পরিদর্শক রোকসানা খাতুন বলেন, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক শান্তনু কুমার মন্ডল তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জানা গেছে, ওই নারী (৫০) ফরিদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তাকে স্ত্রী দাবি করা দুই পুরুষ ফরিদপুর সদরের একই গ্রামের বাসিন্দা।পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক পুরুষের সঙ্গে ওই নারীর প্রায় ৩৬ বছরের সংসার। এই সংসারে তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। সম্প্রতি নারীটি আরেক পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। তারা ভারতে গিয়ে বিয়ে করেন। এরপর সোমবার রাতে তারা যশোরের একটি হোটেলে ওঠেন। বিষয়টি জানতে পেরে বিকাশ ওই হোটেলে যান। এরপর হাতাহাতি থেকে থানা পর্যন্ত গড়ায় ঝামেলাটি। দ্বিতীয় স্বামী দাবিদার ব্যক্তি বলেন, ওই নারীর সঙ্গে তার তিন বছরের সম্পর্ক। তারা দুজনই স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছেন এবং এখন একসঙ্গে থাকতে চান।ওই নারী সমকালকে বলেন, প্রথম স্বামীর সংসারে তিনি নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতেন। সেই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তিনি বাধ্য হয়ে আরেকজনকে বিয়ে করেছেন। তিনি প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার করবেন না।প্রথম স্বামী দাবিদার ব্যক্তি বলেন, তার স্ত্রীর পরকীয়ায় কারণে সাজানো সংসার ভেঙে যাচ্ছে। তিনি বাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় নগদ টাকা ও গয়নাও নিয়ে গেছেন। তাছাড়া যেকোনো মূল্যে স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে চান তিনি। এই বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল  বলেন, ‘৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। থানায় দীর্ঘক্ষণ তাদের সঙ্গে কথা বলেও কোন সিন্ধান্তে আসা যায়নি। পরে ১৫১ ধারায় তাদের আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সব বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি

এক নারীকে স্ত্রী দাবি করে দুই পুরুষের হাতাহাতি, দু’জনই কারাগারে

আপডেট সময় ১০:৫০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর শহরে এক নারীকে স্ত্রী দাবি করে হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন দুই পুরুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে হেফাজতে নেয় কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। পরে থানা চত্বরে আবার দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের চারখাম্বার মোড় ও কোতোয়ালি থানার সামনে প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তিনজনকে আটকের পর নারীকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেয়। আর ওই দুই পুরুষকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৫১ ধারায় (নিরাপদ হেফাজত) আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। বিচারক ওই নারীর স্বামী দাবি করা দুই পুরুষকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।শোর আদালতের পুলিশ পরিদর্শক রোকসানা খাতুন বলেন, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক শান্তনু কুমার মন্ডল তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জানা গেছে, ওই নারী (৫০) ফরিদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তাকে স্ত্রী দাবি করা দুই পুরুষ ফরিদপুর সদরের একই গ্রামের বাসিন্দা।পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক পুরুষের সঙ্গে ওই নারীর প্রায় ৩৬ বছরের সংসার। এই সংসারে তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। সম্প্রতি নারীটি আরেক পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। তারা ভারতে গিয়ে বিয়ে করেন। এরপর সোমবার রাতে তারা যশোরের একটি হোটেলে ওঠেন। বিষয়টি জানতে পেরে বিকাশ ওই হোটেলে যান। এরপর হাতাহাতি থেকে থানা পর্যন্ত গড়ায় ঝামেলাটি। দ্বিতীয় স্বামী দাবিদার ব্যক্তি বলেন, ওই নারীর সঙ্গে তার তিন বছরের সম্পর্ক। তারা দুজনই স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছেন এবং এখন একসঙ্গে থাকতে চান।ওই নারী সমকালকে বলেন, প্রথম স্বামীর সংসারে তিনি নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতেন। সেই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তিনি বাধ্য হয়ে আরেকজনকে বিয়ে করেছেন। তিনি প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার করবেন না।প্রথম স্বামী দাবিদার ব্যক্তি বলেন, তার স্ত্রীর পরকীয়ায় কারণে সাজানো সংসার ভেঙে যাচ্ছে। তিনি বাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় নগদ টাকা ও গয়নাও নিয়ে গেছেন। তাছাড়া যেকোনো মূল্যে স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে চান তিনি। এই বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল  বলেন, ‘৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। থানায় দীর্ঘক্ষণ তাদের সঙ্গে কথা বলেও কোন সিন্ধান্তে আসা যায়নি। পরে ১৫১ ধারায় তাদের আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।