ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে অপরাধ সাম্রাজ্য: চীনে মিং পরিবারে ১১ জনের ফাঁসি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৩৮ বার পড়া হয়েছে

চীনের আদালত মিয়ানমারে প্রতারণা ও অপরাধচক্র চালানো কুখ্যাত মিং পরিবার-এর ১১ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সোমবার পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝো-তে দেওয়া রায়ে আরও কয়েক ডজন সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়েছে, মোট ৩৯ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনকে সরাসরি মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনকে দুই বছরের স্থগিত মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং বাকি সদস্যদের ৫ থেকে ২৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

 

মিয়ানমারের চীন সীমান্তবর্তী লাউক্কাই শহরকে মিং পরিবার ও আরও কয়েকটি প্রভাবশালী পরিবার জুয়ার আসর, মাদক ব্যবসা এবং প্রতারণা কেন্দ্রের ঘাঁটিতে পরিণত করেছিল। তাদের এসব কর্মকাণ্ড থেকে শুধু মিং পরিবারই অর্জন করেছে ১০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার)।

 

আদালত জানিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে তারা টেলিযোগাযোগ প্রতারণা, অবৈধ ক্যাসিনো, মাদক চোরাচালান ও দেহব্যবসার মতো অপরাধে জড়িত ছিল। এমনকি প্রতারণা কেন্দ্রের কয়েকজন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে, যেন তারা আর চীনে ফিরে যেতে না পারে।

 

২০২৩ সালে মিয়ানমার সরকার এসব অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বহু সদস্যকে গ্রেফতার করে এবং পরে তাদের চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

মিয়ানমারে অপরাধ সাম্রাজ্য: চীনে মিং পরিবারে ১১ জনের ফাঁসি

আপডেট সময় ১২:১৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চীনের আদালত মিয়ানমারে প্রতারণা ও অপরাধচক্র চালানো কুখ্যাত মিং পরিবার-এর ১১ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সোমবার পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝো-তে দেওয়া রায়ে আরও কয়েক ডজন সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়েছে, মোট ৩৯ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনকে সরাসরি মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনকে দুই বছরের স্থগিত মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং বাকি সদস্যদের ৫ থেকে ২৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

 

মিয়ানমারের চীন সীমান্তবর্তী লাউক্কাই শহরকে মিং পরিবার ও আরও কয়েকটি প্রভাবশালী পরিবার জুয়ার আসর, মাদক ব্যবসা এবং প্রতারণা কেন্দ্রের ঘাঁটিতে পরিণত করেছিল। তাদের এসব কর্মকাণ্ড থেকে শুধু মিং পরিবারই অর্জন করেছে ১০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার)।

 

আদালত জানিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে তারা টেলিযোগাযোগ প্রতারণা, অবৈধ ক্যাসিনো, মাদক চোরাচালান ও দেহব্যবসার মতো অপরাধে জড়িত ছিল। এমনকি প্রতারণা কেন্দ্রের কয়েকজন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করে, যেন তারা আর চীনে ফিরে যেতে না পারে।

 

২০২৩ সালে মিয়ানমার সরকার এসব অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বহু সদস্যকে গ্রেফতার করে এবং পরে তাদের চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।