ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনায় সরকারি চাল বণ্টন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৪ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ঈশ্বরদীতে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বণ্টনকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিবদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। রবিবার ও সোমবার বিকেল পর্যন্ত উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচড়া এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চালের ডিলার লিটন মাস্টার দীর্ঘদিন ধরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করে আসছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তিনি নির্ধারিত ৩০ কেজির স্থলে ২৫–২৬ কেজি করে চাল দিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুল হোসেন ও তার সমর্থকরা একাধিকবার আপত্তি জানালেও সমাধান হয়নি।

গত সপ্তাহে বিতরণের সময় নতুন করে চাল কম দেওয়ার অভিযোগে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে রোববার বিকেলে স্থানীয়রা লিটন মাস্টারের ভাই কলম খাঁকে মারধর করে। পরে লিটন মাস্টারের সমর্থকরা সাহাবুল হোসেনের অফিস ভাঙচুর করেন।

এ বিষয়ে লিটন মাস্টার বলেন, “সাহাবুল হোসেন ডিলারশিপে অংশীদার হতে চেয়েছিলেন। তাকে অংশীদার না করায় আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।”

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসান আল নাঈম জানান, ৩০ কেজির চালের বস্তা খোলা বা কম দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। ওজনে কম দিলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনায় লিটন মাস্টারের পক্ষ থেকে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানার ওসি আ.স.ম. আব্দুন নূর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে চাঁদ খোসাল মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

পাবনায় সরকারি চাল বণ্টন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বণ্টনকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিবদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। রবিবার ও সোমবার বিকেল পর্যন্ত উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচড়া এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চালের ডিলার লিটন মাস্টার দীর্ঘদিন ধরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করে আসছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তিনি নির্ধারিত ৩০ কেজির স্থলে ২৫–২৬ কেজি করে চাল দিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুল হোসেন ও তার সমর্থকরা একাধিকবার আপত্তি জানালেও সমাধান হয়নি।

গত সপ্তাহে বিতরণের সময় নতুন করে চাল কম দেওয়ার অভিযোগে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে রোববার বিকেলে স্থানীয়রা লিটন মাস্টারের ভাই কলম খাঁকে মারধর করে। পরে লিটন মাস্টারের সমর্থকরা সাহাবুল হোসেনের অফিস ভাঙচুর করেন।

এ বিষয়ে লিটন মাস্টার বলেন, “সাহাবুল হোসেন ডিলারশিপে অংশীদার হতে চেয়েছিলেন। তাকে অংশীদার না করায় আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।”

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসান আল নাঈম জানান, ৩০ কেজির চালের বস্তা খোলা বা কম দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। ওজনে কম দিলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনায় লিটন মাস্টারের পক্ষ থেকে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানার ওসি আ.স.ম. আব্দুন নূর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।