ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ: রক্তে লেখা গণতন্ত্রের ইতিহাস

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬০৪ বার পড়া হয়েছে

 

নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে তৎকালীন স্বৈরশাসকের পতনের পথ রচনা করা শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ।
১৯৮৭ সালের এই দিনে নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে অনিবার্য পরিণতির দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তার আত্মত্যাগ। নিজের বুকে ও পিঠে লিখেছিলেন— “গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক”— সেই আহ্বানই হয়ে ওঠে এক যুগের সংগ্রামের প্রতীক।

সেদিন পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নূর হোসেন, যুবলীগ নেতা নূরুল হুদা বাবুল এবং ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ছিল সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জনতার উত্তাল আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক দিন।

নানা রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আজ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নূর হোসেনদের অকুতোভয় আত্মত্যাগই শেষ পর্যন্ত স্বৈরশক্তিকে মাথা নত করতে বাধ্য করেছিল।
রক্তে লেখা সেই বার্তা আজও স্মরণ করিয়ে দেয়— গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যর্থ হলে ৫ আগস্ট ব্যর্থ হয়ে যাবে: নাহিদ ইসলাম

শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ: রক্তে লেখা গণতন্ত্রের ইতিহাস

আপডেট সময় ১০:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

 

নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে তৎকালীন স্বৈরশাসকের পতনের পথ রচনা করা শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ।
১৯৮৭ সালের এই দিনে নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে অনিবার্য পরিণতির দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তার আত্মত্যাগ। নিজের বুকে ও পিঠে লিখেছিলেন— “গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক”— সেই আহ্বানই হয়ে ওঠে এক যুগের সংগ্রামের প্রতীক।

সেদিন পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নূর হোসেন, যুবলীগ নেতা নূরুল হুদা বাবুল এবং ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ছিল সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জনতার উত্তাল আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক দিন।

নানা রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আজ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নূর হোসেনদের অকুতোভয় আত্মত্যাগই শেষ পর্যন্ত স্বৈরশক্তিকে মাথা নত করতে বাধ্য করেছিল।
রক্তে লেখা সেই বার্তা আজও স্মরণ করিয়ে দেয়— গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না।