ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মামুনের রায় প্রত্যাখ্যান, উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধ। তিনি জানিয়েছেন, শহীদ পরিবার ও আহতদের পক্ষ থেকে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং মামুনকে রাজসাক্ষী হওয়ায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মীর স্নিগ্ধ স্পষ্টভাবে বলেন—
“আমরা মামুনের রায় প্রত্যাখ্যান করছি। আমাদের দাবি—তার ন্যূনতম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়া উচিত। এজন্য আমরা উচ্চ আদালতে যাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন,
“শুধু রায় দিয়ে বসে থাকলে হবে না। দেশবাসীকে জানাতে হবে কীভাবে খুনি হাসিনা ও খুনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেশে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে হবে।”

মীর স্নিগ্ধ দাবি করেন, দেশে-বিদেশে থাকা হাসিনার সকল দোসরদেরও আইনের মুখোমুখি আনতে হবে।
তার বক্তব্য—
“যারা সহায়তা করেছে, যারা বিদেশে পালিয়ে আছে—সবাইকে দেশে এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।”

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামুনের শাস্তি বাড়ানোর এ দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তারদের দ্রুত বিচারের অঙ্গীকার প্রধান বিচারপতির

মামুনের রায় প্রত্যাখ্যান, উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধের

আপডেট সময় ০৪:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধ। তিনি জানিয়েছেন, শহীদ পরিবার ও আহতদের পক্ষ থেকে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং মামুনকে রাজসাক্ষী হওয়ায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মীর স্নিগ্ধ স্পষ্টভাবে বলেন—
“আমরা মামুনের রায় প্রত্যাখ্যান করছি। আমাদের দাবি—তার ন্যূনতম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়া উচিত। এজন্য আমরা উচ্চ আদালতে যাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন,
“শুধু রায় দিয়ে বসে থাকলে হবে না। দেশবাসীকে জানাতে হবে কীভাবে খুনি হাসিনা ও খুনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেশে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে। এই প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে হবে।”

মীর স্নিগ্ধ দাবি করেন, দেশে-বিদেশে থাকা হাসিনার সকল দোসরদেরও আইনের মুখোমুখি আনতে হবে।
তার বক্তব্য—
“যারা সহায়তা করেছে, যারা বিদেশে পালিয়ে আছে—সবাইকে দেশে এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।”

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামুনের শাস্তি বাড়ানোর এ দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।