ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-মহানগর ও আশুলিয়ায় মৃদু ভূমিকম্প: জনগণকে ধৈর্য ও আল্লাহর সাহায্যের আহ্বান জামায়াতের আমিরের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৫২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মহানগর ও আশুলিয়ায় আবারও মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি দেশের জনগণের প্রতি ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহ তাআলার উপর তাওয়াক্কুল করার আহ্বান জানান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ২১ ও ২২ নভেম্বর দেশব্যাপী যে ভূমিকম্প ঘটেছে তা সতর্ক সংকেত হিসেবে নেওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, আল্লাহ বিপদ-আপদ দিয়ে মানুষকে সতর্ক করেন এবং এই সময় জনগণকে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। একমাত্র আল্লাহই সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করতে পারেন।

জামায়াতের আমির আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণকে সচেতন করা। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনগণকে প্রস্তুত করতে হবে এবং বিপদ-আপদ কমানোর জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হ্যাঁ ভোটে বিজয় এলে সাংবাদিকদের দিকে কেউ চোখ রাঙাতে পারবে না: মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ

ঢাকা-মহানগর ও আশুলিয়ায় মৃদু ভূমিকম্প: জনগণকে ধৈর্য ও আল্লাহর সাহায্যের আহ্বান জামায়াতের আমিরের

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা মহানগর ও আশুলিয়ায় আবারও মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি দেশের জনগণের প্রতি ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহ তাআলার উপর তাওয়াক্কুল করার আহ্বান জানান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ২১ ও ২২ নভেম্বর দেশব্যাপী যে ভূমিকম্প ঘটেছে তা সতর্ক সংকেত হিসেবে নেওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, আল্লাহ বিপদ-আপদ দিয়ে মানুষকে সতর্ক করেন এবং এই সময় জনগণকে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। একমাত্র আল্লাহই সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করতে পারেন।

জামায়াতের আমির আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণকে সচেতন করা। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনগণকে প্রস্তুত করতে হবে এবং বিপদ-আপদ কমানোর জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে।