ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কামালকে দিয়ে শুরু হচ্ছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া: প্রেস সচিব

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

জুলাই মাসের গণহত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনা করছে। তবে প্রত্যর্পণের প্রাথমিক ধাপ শুরু হবে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়ে।

শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, জুলাই গণহত্যার নৃশংসতা তদন্তে নতুন তথ্য-প্রমাণ যুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ এখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যাচাই করছে।

তিনি আরও জানান, সরকারের আইন ও পররাষ্ট্র–উদ্যোগের ধারাবাহিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে এ প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষই।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে গিয়ে দুই রোগীর খোঁজ নিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

কামালকে দিয়ে শুরু হচ্ছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১১:৫৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই মাসের গণহত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনা করছে। তবে প্রত্যর্পণের প্রাথমিক ধাপ শুরু হবে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়ে।

শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, জুলাই গণহত্যার নৃশংসতা তদন্তে নতুন তথ্য-প্রমাণ যুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ এখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যাচাই করছে।

তিনি আরও জানান, সরকারের আইন ও পররাষ্ট্র–উদ্যোগের ধারাবাহিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে এ প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষই।