ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সালথায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শন করলেন জামায়াতের প্রার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৮ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বসতবাড়ি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা। রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা ও ভাঙ্গার হামিরদী ও আলগী ইউনিয়ন) আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা সোহরাব হুসাইনের নেতৃত্বে গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোতে যান তিনি ও দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে মাওলানা সোহরাব হুসাইন বলেন, “জামায়াত ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে নিজেরাই দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে এবং নিজেদের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে অযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছে। এটি কোনো রাজনীতি নয়, এটি বর্বরতা।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল ফজল মুরাদ, উপজেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমান মজনু, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী মাহবুব আলী সিদ্দিকী, গট্টি ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি মো. তুফাজ্জেল হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য নেতারা।

এর আগে গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া বাজার এলাকায় তিন স্থানে বিএনপির দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। প্রায় ২০টি গ্রামের হাজারো মানুষ এতে অংশ নেয়। সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ আহত হন এবং অন্তত ১৮টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

সরকারি গাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির

সালথায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শন করলেন জামায়াতের প্রার্থী

আপডেট সময় ১১:২৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বসতবাড়ি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা। রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা ও ভাঙ্গার হামিরদী ও আলগী ইউনিয়ন) আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা সোহরাব হুসাইনের নেতৃত্বে গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোতে যান তিনি ও দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে মাওলানা সোহরাব হুসাইন বলেন, “জামায়াত ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে নিজেরাই দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে এবং নিজেদের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে অযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছে। এটি কোনো রাজনীতি নয়, এটি বর্বরতা।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল ফজল মুরাদ, উপজেলা নায়েবে আমির আজিজুর রহমান মজনু, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী মাহবুব আলী সিদ্দিকী, গট্টি ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি মো. তুফাজ্জেল হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য নেতারা।

এর আগে গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া বাজার এলাকায় তিন স্থানে বিএনপির দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। প্রায় ২০টি গ্রামের হাজারো মানুষ এতে অংশ নেয়। সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ আহত হন এবং অন্তত ১৮টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।