ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাদিকে আগেই সতর্ক করেছিলেন সাবেক ‘র‍্যাব সদস্য’

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার বিষয়ে আগেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল—এমন দাবি করেছেন নিজেকে সাবেক ‘র‍্যাব সদস্য’ পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, র‍্যাব-১০–এ যাত্রাবাড়ীতে তিন বছর কাজ করার সুবাদে তার সোর্স নেটওয়ার্ক রয়েছে। সেই সোর্স থেকেই তিনি জানতে পারেন, হামলার তালিকায় হাদির নাম রয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি হাদিকে একাধিকবার সতর্ক করার চেষ্টা করেন এবং এমনকি দুই দিন তার সঙ্গেও থাকার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করেন। তবে ওই ব্যক্তি আদৌ র‍্যাবের সদস্য ছিলেন কি না—তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয় শরিফ ওসমান হাদিকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে এক দফা অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, হাদির অবস্থা ‘খুবই ক্রিটিক্যাল’। বাম কানের ওপর দিয়ে ঢুকে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বুলেট তার ব্রেন স্টেম পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ম্যাসিভ ব্রেন ইনজুরি’ হিসেবে বিবেচিত। এ অবস্থায় কোনো ইন্টারভেনশন সম্ভব নয়; তাকে কেবল লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-চীনের ওপর নজর রাখতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নৌঘাঁটি

হাদিকে আগেই সতর্ক করেছিলেন সাবেক ‘র‍্যাব সদস্য’

আপডেট সময় ১২:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার বিষয়ে আগেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল—এমন দাবি করেছেন নিজেকে সাবেক ‘র‍্যাব সদস্য’ পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, র‍্যাব-১০–এ যাত্রাবাড়ীতে তিন বছর কাজ করার সুবাদে তার সোর্স নেটওয়ার্ক রয়েছে। সেই সোর্স থেকেই তিনি জানতে পারেন, হামলার তালিকায় হাদির নাম রয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি হাদিকে একাধিকবার সতর্ক করার চেষ্টা করেন এবং এমনকি দুই দিন তার সঙ্গেও থাকার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করেন। তবে ওই ব্যক্তি আদৌ র‍্যাবের সদস্য ছিলেন কি না—তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয় শরিফ ওসমান হাদিকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে এক দফা অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, হাদির অবস্থা ‘খুবই ক্রিটিক্যাল’। বাম কানের ওপর দিয়ে ঢুকে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বুলেট তার ব্রেন স্টেম পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ম্যাসিভ ব্রেন ইনজুরি’ হিসেবে বিবেচিত। এ অবস্থায় কোনো ইন্টারভেনশন সম্ভব নয়; তাকে কেবল লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।