ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান, কী এই ট্রাভেল পাস?

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬০ বার পড়া হয়েছে

লন্ডন থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—ট্রাভেল পাস আসলে কী, আর এটি কেন প্রয়োজন হয়?

ট্রাভেল পাস মূলত একটি অস্থায়ী ভ্রমণ সনদ, যা পাসপোর্ট না থাকলে বা পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ, হারিয়ে যাওয়া কিংবা আইনি জটিলতার কারণে ব্যবহার করা না গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা হাইকমিশন ইস্যু করে। এটি সাধারণত একবারের যাত্রার জন্য বৈধ থাকে এবং নির্দিষ্ট গন্তব্যে ফেরার সুযোগ দেয়।

ট্রাভেল পাস নিয়ে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়—এমন ধারণা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, ট্রাভেল পাস কোনোভাবেই নাগরিকত্ব প্রদান করে না। এটি শুধুমাত্র একটি অস্থায়ী ভ্রমণ সনদ, যার মাধ্যমে পাসপোর্ট না থাকলে বা ব্যবহার অনুপযোগী হলে কোনো ব্যক্তি নিজ দেশে একবার ফেরার অনুমতি পান।

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, ট্রাভেল পাস কোনো পূর্ণাঙ্গ পাসপোর্টের বিকল্প নয়; বরং এটি নাগরিকত্ব প্রমাণ সাপেক্ষে দেশে প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেয়। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য এ ধরনের সনদ গ্রহণ করে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান, পাসপোর্টের মেয়াদসংক্রান্ত জটিলতা বা আইনি প্রক্রিয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই ট্রাভেল পাস ব্যবহার করা হয়। বিমান সংস্থাগুলোও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ট্রাভেল পাসধারী যাত্রী বহন করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিই আগামীর রাষ্ট্রপতি হবেন: ডা. শফিকুর রহমান

ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান, কী এই ট্রাভেল পাস?

আপডেট সময় ০৯:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

লন্ডন থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—ট্রাভেল পাস আসলে কী, আর এটি কেন প্রয়োজন হয়?

ট্রাভেল পাস মূলত একটি অস্থায়ী ভ্রমণ সনদ, যা পাসপোর্ট না থাকলে বা পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ, হারিয়ে যাওয়া কিংবা আইনি জটিলতার কারণে ব্যবহার করা না গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা হাইকমিশন ইস্যু করে। এটি সাধারণত একবারের যাত্রার জন্য বৈধ থাকে এবং নির্দিষ্ট গন্তব্যে ফেরার সুযোগ দেয়।

ট্রাভেল পাস নিয়ে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়—এমন ধারণা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, ট্রাভেল পাস কোনোভাবেই নাগরিকত্ব প্রদান করে না। এটি শুধুমাত্র একটি অস্থায়ী ভ্রমণ সনদ, যার মাধ্যমে পাসপোর্ট না থাকলে বা ব্যবহার অনুপযোগী হলে কোনো ব্যক্তি নিজ দেশে একবার ফেরার অনুমতি পান।

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, ট্রাভেল পাস কোনো পূর্ণাঙ্গ পাসপোর্টের বিকল্প নয়; বরং এটি নাগরিকত্ব প্রমাণ সাপেক্ষে দেশে প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দেয়। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য এ ধরনের সনদ গ্রহণ করে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান, পাসপোর্টের মেয়াদসংক্রান্ত জটিলতা বা আইনি প্রক্রিয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই ট্রাভেল পাস ব্যবহার করা হয়। বিমান সংস্থাগুলোও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ট্রাভেল পাসধারী যাত্রী বহন করে।