ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদির হত্যাকারী ফয়সালের দুই সহযোগী ভারতে আটক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০১:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬০৮ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দুই সহযোগীকে ভারতে আটক করেছে মেঘালয় পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
রোববার সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, হত্যার পর ফয়সাল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। বর্তমানে সে ভারতের মেঘালয়ে অবস্থান করছে বলে তথ্য রয়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ফয়সালের বাবা-মা, স্ত্রী, শ্যালক, বান্ধবীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্তে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিপরীতে প্রায় ২১৮ কোটি টাকার চেক জব্দ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ছয়জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। দ্রুত তদন্ত শেষ করে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং ৭ জানুয়ারির মধ্যেই মামলার চার্জশিট জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা চালানো হয়। মতিঝিল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে এসে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার এক সহযোগী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক পাচাররোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

হাদির হত্যাকারী ফয়সালের দুই সহযোগী ভারতে আটক

আপডেট সময় ০১:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দুই সহযোগীকে ভারতে আটক করেছে মেঘালয় পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
রোববার সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, হত্যার পর ফয়সাল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। বর্তমানে সে ভারতের মেঘালয়ে অবস্থান করছে বলে তথ্য রয়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ফয়সালের বাবা-মা, স্ত্রী, শ্যালক, বান্ধবীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্তে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিপরীতে প্রায় ২১৮ কোটি টাকার চেক জব্দ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ছয়জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। দ্রুত তদন্ত শেষ করে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং ৭ জানুয়ারির মধ্যেই মামলার চার্জশিট জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা চালানো হয়। মতিঝিল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে এসে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার এক সহযোগী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।