ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত ইসলামী আন্দোলনকে ৩৫টি ও এনসিপিকে ৩০টি আসন দিল

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে জোট গঠন ও আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। জোটের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৩৫টি এবং এনসিপিকে ৩০টি আসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে আরও আসন দাবি করছে এনসিপি—এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) একাধিক রাজনৈতিক সূত্র জানায়, নির্বাচন সামনে রেখে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার আলোচনা বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল। সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট কাঠামোয় আসন বণ্টনের একটি প্রাথমিক রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থান ও সম্ভাব্য বিজয়ী আসনের হিসাব বিবেচনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৩৫টি আসন এবং এনসিপিকে ৩০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তবে এনসিপির পক্ষ থেকে আরও কিছু আসনে ছাড় চাওয়া হয়েছে, যা নিয়ে আলোচনা এখনো চলছে।

জোটসংশ্লিষ্ট এক নেতা জানান, নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ের লক্ষ্যেই আসন সমঝোতা করা হচ্ছে। বাস্তবতা ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে আসন বণ্টনে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক আইআরজিসি প্রধান কেন চান যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘স্থল আক্রমণ’ চালাক

জামায়াত ইসলামী আন্দোলনকে ৩৫টি ও এনসিপিকে ৩০টি আসন দিল

আপডেট সময় ০৩:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে জোট গঠন ও আসন সমঝোতার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। জোটের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৩৫টি এবং এনসিপিকে ৩০টি আসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে আরও আসন দাবি করছে এনসিপি—এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) একাধিক রাজনৈতিক সূত্র জানায়, নির্বাচন সামনে রেখে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার আলোচনা বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল। সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট কাঠামোয় আসন বণ্টনের একটি প্রাথমিক রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থান ও সম্ভাব্য বিজয়ী আসনের হিসাব বিবেচনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৩৫টি আসন এবং এনসিপিকে ৩০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তবে এনসিপির পক্ষ থেকে আরও কিছু আসনে ছাড় চাওয়া হয়েছে, যা নিয়ে আলোচনা এখনো চলছে।

জোটসংশ্লিষ্ট এক নেতা জানান, নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ের লক্ষ্যেই আসন সমঝোতা করা হচ্ছে। বাস্তবতা ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে আসন বণ্টনে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে।